‘৩০ শতাংশ না দিলে প্রকল্প নয়’—ঘুড়কা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ৪ নম্বর ঘুড়কা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্যানেল চেয়ারম্যান নওশের আলীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ৩০ শতাংশ হারে অর্থ আদায়, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তুলে তার অপসারণ দাবি করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের ৯ জন সদস্য। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তারা। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া অভিযোগপত্রে ইউপি সদস্যরা দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর স্থানীয় নেতাদের ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা দিয়ে নওশের আলী অবৈধভাবে প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন। এরপর থেকে ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ৩০ শতাংশ হারে অর্থ দাবি করেন তিনি। অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের প্রকল্প না দেওয়া এবং বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হতো। অভিযোগে আরও বলা হয়, ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের ১ শতাংশ অর্থের কোনো হিসাব না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ ছাড়া নিয়মিত সভা না করে ভুয়া খরচ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, গর্ভবতী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নামে ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ, গ্রাম আদালতের বিচারকে কেন্দ্র করে অর্থ বাণিজ্য এবং

‘৩০ শতাংশ না দিলে প্রকল্প নয়’—ঘুড়কা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ৪ নম্বর ঘুড়কা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্যানেল চেয়ারম্যান নওশের আলীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ৩০ শতাংশ হারে অর্থ আদায়, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তুলে তার অপসারণ দাবি করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের ৯ জন সদস্য। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তারা। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া অভিযোগপত্রে ইউপি সদস্যরা দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর স্থানীয় নেতাদের ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা দিয়ে নওশের আলী অবৈধভাবে প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন। এরপর থেকে ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ৩০ শতাংশ হারে অর্থ দাবি করেন তিনি। অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের প্রকল্প না দেওয়া এবং বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হতো। অভিযোগে আরও বলা হয়, ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের ১ শতাংশ অর্থের কোনো হিসাব না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ ছাড়া নিয়মিত সভা না করে ভুয়া খরচ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, গর্ভবতী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নামে ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ, গ্রাম আদালতের বিচারকে কেন্দ্র করে অর্থ বাণিজ্য এবং ওয়ারিশান সনদ দিতে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নেও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন ইউপি সদস্যরা। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্যানেল চেয়ারম্যান নওশের আলী। তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। সব কাজে ইউপি সদস্যদের ডাকতেই হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই।’ রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow