৩০০ টাকা ঘুস নিয়ে চাকরি হারালেন ইসি কর্মকর্তা শুধাংশু

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শুধাংশু কুমার সাহাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সেবা দিতে গিয়ে ৩০০ টাকা ঘুস লেনদেন এবং সেই তথ্য গোপন করতে সাংবাদিককে ২৯ হাজার টাকা ঘুস দেওয়ার অভিযোগে তিনি চাকরি হারিয়েছেন। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গত ৪ ফেব্রুয়ারি ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ শাস্তির কথা জানানো হয়। গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে সিদ্ধান্তটি কার্যকর করা হয়েছে বলে জানায় ইসি। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, শুধাংশু কুমার সাহা কুমিল্লায় অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকাকালে এনআইডি সংশোধনে ৩০০ টাকা অবৈধভাবে নেন। এসময় গণমাধ্যমকর্মীরা তার ভিডিও ধারণ করেন। সেই ভিডিও যাতে প্রকাশ না করা হয়, সেজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকর্মীকে ২৯ হাজার টাকা উৎকোচ বা ঘুস দেন। এ অনৈতিক ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। সেই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়। মামলার পরে বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হয়। তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন

৩০০ টাকা ঘুস নিয়ে চাকরি হারালেন ইসি কর্মকর্তা শুধাংশু

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শুধাংশু কুমার সাহাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সেবা দিতে গিয়ে ৩০০ টাকা ঘুস লেনদেন এবং সেই তথ্য গোপন করতে সাংবাদিককে ২৯ হাজার টাকা ঘুস দেওয়ার অভিযোগে তিনি চাকরি হারিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গত ৪ ফেব্রুয়ারি ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ শাস্তির কথা জানানো হয়। গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে সিদ্ধান্তটি কার্যকর করা হয়েছে বলে জানায় ইসি।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, শুধাংশু কুমার সাহা কুমিল্লায় অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকাকালে এনআইডি সংশোধনে ৩০০ টাকা অবৈধভাবে নেন। এসময় গণমাধ্যমকর্মীরা তার ভিডিও ধারণ করেন। সেই ভিডিও যাতে প্রকাশ না করা হয়, সেজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকর্মীকে ২৯ হাজার টাকা উৎকোচ বা ঘুস দেন।

এ অনৈতিক ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। সেই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়। মামলার পরে বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হয়। তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইসি সচিবালয়ের আইডিইএ দ্বিতীয় পর্যায় প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক মো. ফরিদুল ইসলাম।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত কর্মকর্তা আত্মপক্ষ সমর্থনের চেষ্টা করলেও তার জবাব সন্তোষজনক ছিল না। পরবর্তীতে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর তাকে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী চাকরি থেকে অপসারণের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, শুধাংশু কুমার সাহা বর্তমানে রংপুরে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংযুক্ত ছিলেন।

এমওএস/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow