৩৯ বছর বয়সেও ৮ দিনে খেলেছেন ৩৩০ মিনিট খেলেছেন মেসি

বয়স যেন শুধুই একটি সংখ্যা। ২০২৬ বিশ্বকাপে সেটিই আবারও প্রমাণ করছেন লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন অধিনায়ক মাত্র ৮ দিনের মধ্যে খেলেছেন ৩৩০ মিনিট, যা যেকোনো ফুটবলারের জন্যই অসাধারণ শারীরিক সক্ষমতার প্রমাণ। বিশ্বকাপের আগে অনেকে মেসির সামর্থ্য নিয়ে নানা প্রশ্ন করেছিল। তাকে বদলি হিসেবেও খেলানোর পরামর্শ দিয়েছিল অনেক ফুটবলবোদ্ধা। কিন্তু মেসি সেসবকে তুড়ি মেড়ে উড়িয়ে দিয়েছেন। জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচে বদলি হিসেবে নামা ব্যতীত প্রত্যেকটি ম্যাচেই এখন পর্যন্ত খেলেছেন মেসি। তবে আশ্চর্যের বিষয় বিশ্বকাপের নকআউটে টানা খেলে যাওয়া। বিশ্বকাপে শেষ তিন ম্যাচে মেসির কেপ ভার্দের বিপক্ষে ১২০ মিনিট, মিশরের বিপক্ষে ৯০ মিনিট এবং সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ১২০ মিনিট মাঠে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন অর্থাৎ, মাত্র আট দিনের ব্যবধানে মাঠে কাটিয়েছেন ৩৩০ মিনিট। শুধু সময়ই নয়, প্রতিটি ম্যাচেই দলের আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন মেসি। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে চোখে আঘাত পেয়ে রক্তাক্ত হওয়ার পরও পুরো ১২০ মিনিট খেলেছেন। গোল না পেলেও ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন এবং দলের সেমিফাইনালে ওঠার পথে গুরুত্বপূর

৩৯ বছর বয়সেও ৮ দিনে খেলেছেন ৩৩০ মিনিট খেলেছেন মেসি

বয়স যেন শুধুই একটি সংখ্যা। ২০২৬ বিশ্বকাপে সেটিই আবারও প্রমাণ করছেন লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন অধিনায়ক মাত্র ৮ দিনের মধ্যে খেলেছেন ৩৩০ মিনিট, যা যেকোনো ফুটবলারের জন্যই অসাধারণ শারীরিক সক্ষমতার প্রমাণ।

বিশ্বকাপের আগে অনেকে মেসির সামর্থ্য নিয়ে নানা প্রশ্ন করেছিল। তাকে বদলি হিসেবেও খেলানোর পরামর্শ দিয়েছিল অনেক ফুটবলবোদ্ধা। কিন্তু মেসি সেসবকে তুড়ি মেড়ে উড়িয়ে দিয়েছেন। জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচে বদলি হিসেবে নামা ব্যতীত প্রত্যেকটি ম্যাচেই এখন পর্যন্ত খেলেছেন মেসি। তবে আশ্চর্যের বিষয় বিশ্বকাপের নকআউটে টানা খেলে যাওয়া।

বিশ্বকাপে শেষ তিন ম্যাচে মেসির কেপ ভার্দের বিপক্ষে ১২০ মিনিট, মিশরের বিপক্ষে ৯০ মিনিট এবং সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ১২০ মিনিট মাঠে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন অর্থাৎ, মাত্র আট দিনের ব্যবধানে মাঠে কাটিয়েছেন ৩৩০ মিনিট।

শুধু সময়ই নয়, প্রতিটি ম্যাচেই দলের আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন মেসি। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে চোখে আঘাত পেয়ে রক্তাক্ত হওয়ার পরও পুরো ১২০ মিনিট খেলেছেন। গোল না পেলেও ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন এবং দলের সেমিফাইনালে ওঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

৩৯ বছর বয়সে এমন শারীরিক সামর্থ্য, নেতৃত্ব এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ফুটবলপ্রেমীদের কাছে আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে মেসি এখনও আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় ভরসা।

আরআর/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow