৪ ইঞ্চি জায়গা নিয়ে দ্বন্দ্ব, প্রাণ গেল যুবকের

নাটোরের গুরুদাসপুরে জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘবদ্ধ হামলার শিকার বাবলু (৪০) নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন।  শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল উপজেলার যোগীন্দ্রনগর গ্রামে মাঠের জমির ৪ ইঞ্চি জায়গা নিয়ে পারুলের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। সেই জায়গার জন্যই পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের লোকজন বাবলুর ওপর হামলা চালায়।  অভিযোগ রয়েছে, একই গ্রামের কাওছার, কামাল, জহুরুল ও রাসেলসহ কয়েকজন মিলে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে  তাকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে একদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় সপ্তাহ ধরে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি রাতে মারা যান।  নিহত বাবলুর পরিবারে স্ত্রী, দুই সন্তান, মা ও বাবা রয়েছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুতে প

৪ ইঞ্চি জায়গা নিয়ে দ্বন্দ্ব, প্রাণ গেল যুবকের
নাটোরের গুরুদাসপুরে জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘবদ্ধ হামলার শিকার বাবলু (৪০) নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন।  শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল উপজেলার যোগীন্দ্রনগর গ্রামে মাঠের জমির ৪ ইঞ্চি জায়গা নিয়ে পারুলের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। সেই জায়গার জন্যই পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের লোকজন বাবলুর ওপর হামলা চালায়।  অভিযোগ রয়েছে, একই গ্রামের কাওছার, কামাল, জহুরুল ও রাসেলসহ কয়েকজন মিলে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে  তাকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে একদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় সপ্তাহ ধরে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি রাতে মারা যান।  নিহত বাবলুর পরিবারে স্ত্রী, দুই সন্তান, মা ও বাবা রয়েছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। তার স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনায় নিহত বাবলুর বাবা মুনসুর গত ১৭ এপ্রিল রাতে বাদী হয়ে অভিযুক্তদের নামে থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন। মামলা দায়ের পরপরই জড়িতরা গা ঢাকা দেন। গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনজুরুল আলম বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর মর্গে পাঠানো হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow