৪০ দিন ট্রমায় ছিলেন তামিম!

২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী হামলা থেকে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ক্রাইস্টচার্চে হ্যাগলি ওভাল মাঠের খুব কাছে একটি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা হয়। সে সময় পাশেই ছিলেন সফরকারী ক্রিকেটাররা। সেই ঘটনার বর্ণনা দিলেন তামিম ইকবাল। এক পডকাস্টে তামিম বলেন, ‘হোটেলে গিয়ে সবাই রিয়াদ ভাইয়ের রুমে ঢুকলাম, সেখান থেকে ভিডিও দেখছিলাম। সবাই কান্নাকাটি করে ৩-৪ জন করে এক রুমে ছিলাম। পরের ৪০ দিন আমার ট্রমা ছিল। এর থেকে বের হতে কিন্তু আমাদের অনেক দিন লেগেছে। আমরা সবাই পাঞ্জাবি, টুপি পরা। সে (আততায়ী) তো খুঁজতেছে মুসলিম। সে তো আগের দুই জুম্মায় এসে দেখে গেছে সময় ভুল করে এসেছে, ১০ মিনিট পরে আসলে র'ক্তের বন্যায় ভেসে যেত।’ তামিম আরও বলেন, ‘কাছাকাছি যাওয়ার পর দেখলাম ২ জন পরে আছে। পরে দেখি আরও ৪-৫ জন পরে আছে। পরে একজন মহিলা আমাদের গাড়ি ব্লক করে কান্নাকাটি করছে। সাইডে দেখতেছি লা'শ পড়ে আছে সব। এখন আমরা তো বুঝতেছি না কী হয়েছে। মানুষ থেকে শুনেছি হা'মলা হয়েছে এবং ওরা (যারা হা'মলা করেছে) এখনও ভিতরে। কিছু বুঝতেছি না। এরপর হলিউড স্টাইলে পুলিশ আসলো।’ বাস ড্রাইভারের দেরি হওয়ায় ঘটনাক্রম

৪০ দিন ট্রমায় ছিলেন তামিম!

২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী হামলা থেকে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ক্রাইস্টচার্চে হ্যাগলি ওভাল মাঠের খুব কাছে একটি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা হয়। সে সময় পাশেই ছিলেন সফরকারী ক্রিকেটাররা। সেই ঘটনার বর্ণনা দিলেন তামিম ইকবাল।

এক পডকাস্টে তামিম বলেন, ‘হোটেলে গিয়ে সবাই রিয়াদ ভাইয়ের রুমে ঢুকলাম, সেখান থেকে ভিডিও দেখছিলাম। সবাই কান্নাকাটি করে ৩-৪ জন করে এক রুমে ছিলাম। পরের ৪০ দিন আমার ট্রমা ছিল। এর থেকে বের হতে কিন্তু আমাদের অনেক দিন লেগেছে। আমরা সবাই পাঞ্জাবি, টুপি পরা। সে (আততায়ী) তো খুঁজতেছে মুসলিম। সে তো আগের দুই জুম্মায় এসে দেখে গেছে সময় ভুল করে এসেছে, ১০ মিনিট পরে আসলে র'ক্তের বন্যায় ভেসে যেত।’

তামিম আরও বলেন, ‘কাছাকাছি যাওয়ার পর দেখলাম ২ জন পরে আছে। পরে দেখি আরও ৪-৫ জন পরে আছে। পরে একজন মহিলা আমাদের গাড়ি ব্লক করে কান্নাকাটি করছে। সাইডে দেখতেছি লা'শ পড়ে আছে সব। এখন আমরা তো বুঝতেছি না কী হয়েছে। মানুষ থেকে শুনেছি হা'মলা হয়েছে এবং ওরা (যারা হা'মলা করেছে) এখনও ভিতরে। কিছু বুঝতেছি না। এরপর হলিউড স্টাইলে পুলিশ আসলো।’

বাস ড্রাইভারের দেরি হওয়ায় ঘটনাক্রমে রক্ষা পান তামিমরা। বলছিলেন, ‘আমরা বাসে বসে আছি। নিউজিল্যান্ডের বাস ড্রাইভার সিগারেট খাচ্ছিল। আমাদের মত না কিন্তু, আমাদেরগুলা কী করত? দেখত যে আসছে, ফালায়ে দিয়ে চলে যাইত। সে পুরো সিগারেটটা খাবে। সময় নিয়ে সিগারেট খেয়েছে। সেখানে কিছু মিনিট দেরি হয়। এভাবে দেরি হয়েছে। এভাবে করে আমরা বেঁচে গেছি। আমরা সময়মতো চলে গেলে আমরা কেউ বাঁচতাম না, প্রথম গুলিটা আমি খাইতাম।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow