৪০০-৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির মাংস
মৌলভীবাজার শহরের বিভিন্ন বাসা বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা কোরবানির মাংস কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে যে সব মানুষ কোরবানি দিতে পারেননি তারা কম দামে মাংস ক্রয় করতে পারছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে শহরের চাঁদনীঘাট ব্রিজের উপরে ৪০০-৫০০ টাকা দরে প্রতি কেজি মাংস বিক্রি করতে দেখা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের চাঁদনীঘাট ব্রিজের উপর ভাসমান দোকানে মাংস বিক্রি হচ্ছে। সারাবছর প্রতি কেজি মাংস ৮০০ টাকা বিক্রি হলেও কোরবানির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৫০০ টাকায়। শহরের বাসাবাড়ি থেকে দরিদ্র মানুষেরা মাংস সংগ্রহ করে এগুলো বিক্রি করছে। এসব মাংস কেনার জন্য ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়। চান মিয়া ও রাজু আহমেদ বলেন, পরিবারে পাঁচ সদস্য। আমরা গরিব মানুষ। সবাই ঈদের দিন শহরের বাসা থেকে মাংস সংগ্রহ করি। একেকজন ১০-১৫ কেজি মাংস সংগ্রহ করেছি। খাওয়ার জন্য যা প্রয়োজন তা রেখে বাকি মাংস বিক্রি করে দিয়েছি। শাহিন আহমদ নামে এক ক্রেতা বলেন, বাড়ি চাঁদপুরে চাকরি সূত্রে মৌলভীবাজার থাকি। বেতন কম এ জন্য কোরবানি দিতে পারিনি। এবার বাড়িতেও যাওয়া হয়নি। তাই এখান থেকে ৩ কেজি মাংস ১৫০০ টাকায় কিনেছি। এ মাংস যারা বিক্রি করেন এটা তাদের জন্য ভালো আবার আ
মৌলভীবাজার শহরের বিভিন্ন বাসা বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা কোরবানির মাংস কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে যে সব মানুষ কোরবানি দিতে পারেননি তারা কম দামে মাংস ক্রয় করতে পারছেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে শহরের চাঁদনীঘাট ব্রিজের উপরে ৪০০-৫০০ টাকা দরে প্রতি কেজি মাংস বিক্রি করতে দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের চাঁদনীঘাট ব্রিজের উপর ভাসমান দোকানে মাংস বিক্রি হচ্ছে। সারাবছর প্রতি কেজি মাংস ৮০০ টাকা বিক্রি হলেও কোরবানির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৫০০ টাকায়। শহরের বাসাবাড়ি থেকে দরিদ্র মানুষেরা মাংস সংগ্রহ করে এগুলো বিক্রি করছে। এসব মাংস কেনার জন্য ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়।
চান মিয়া ও রাজু আহমেদ বলেন, পরিবারে পাঁচ সদস্য। আমরা গরিব মানুষ। সবাই ঈদের দিন শহরের বাসা থেকে মাংস সংগ্রহ করি। একেকজন ১০-১৫ কেজি মাংস সংগ্রহ করেছি। খাওয়ার জন্য যা প্রয়োজন তা রেখে বাকি মাংস বিক্রি করে দিয়েছি।
শাহিন আহমদ নামে এক ক্রেতা বলেন, বাড়ি চাঁদপুরে চাকরি সূত্রে মৌলভীবাজার থাকি। বেতন কম এ জন্য কোরবানি দিতে পারিনি। এবার বাড়িতেও যাওয়া হয়নি। তাই এখান থেকে ৩ কেজি মাংস ১৫০০ টাকায় কিনেছি। এ মাংস যারা বিক্রি করেন এটা তাদের জন্য ভালো আবার আমাদের মতো মানুষের জন্যও ভালো। কারণ তারা মাংস বিক্রি না করলে হয়ত কোরবানির মাংস আমরা খেতে পারতাম না।
মাহিদুল ইসলাম/এএইচ/জেআইএম
What's Your Reaction?