৪৭টি মাথার খুলি উদ্ধার: দুই ডেন্টাল ছাত্রসহ চারজন কারাগারে

রাজধানীর তেজগাঁও থানা এলাকা থেকে মানুষের ৪৭টি মাথার খুলি ও বিপুল পরিমাণ হাড় উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার চারজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন। কারাগারে পাঠানো চার আসামি হলেন কাজী জহরুল ইসলাম ওরফে সৌমিক, মো. আবুল কালাম, আসাদুল মুন্সী ওরফে জসিম ওরফে এরশাদ এবং ফয়সাল আহম্মেদ। তাদের মধ্যে কাজী জহরুল ইসলাম ওরফে সৌমিক ও মো. ফয়সাল আহম্মেদ ঢাকার সাপ্পোরো ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের ছাত্র। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক আরিফ রেজা। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন নাফিস আসামিদের আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে চারজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে রাজধানীর তেজগাঁও থানা এলাকা থেকে মানুষের ৪৭টি মাথার খুলি এবং বিপুল পরিমাণ হাড় উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র মানব কঙ্কাল সংগ্রহ ও পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। মামলার তদন্ত অব্যাহ

৪৭টি মাথার খুলি উদ্ধার: দুই ডেন্টাল ছাত্রসহ চারজন কারাগারে

রাজধানীর তেজগাঁও থানা এলাকা থেকে মানুষের ৪৭টি মাথার খুলি ও বিপুল পরিমাণ হাড় উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার চারজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো চার আসামি হলেন কাজী জহরুল ইসলাম ওরফে সৌমিক, মো. আবুল কালাম, আসাদুল মুন্সী ওরফে জসিম ওরফে এরশাদ এবং ফয়সাল আহম্মেদ। তাদের মধ্যে কাজী জহরুল ইসলাম ওরফে সৌমিক ও মো. ফয়সাল আহম্মেদ ঢাকার সাপ্পোরো ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের ছাত্র। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক আরিফ রেজা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন নাফিস আসামিদের আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে চারজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে রাজধানীর তেজগাঁও থানা এলাকা থেকে মানুষের ৪৭টি মাথার খুলি এবং বিপুল পরিমাণ হাড় উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র মানব কঙ্কাল সংগ্রহ ও পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এমডিএএ/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow