৫ হাজারের বেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টধারী সেলিব্রেটি গ্রেপ্তার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগে ভারতের এক ফেসবুক ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোহান যাদব নামের ওই ইনফ্লুয়েন্সারের সঙ্গে ৫ হাজারের বেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সম্পৃক্ততা পেয়েছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ রয়েছে, এক বৃদ্ধের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ১০ কোটি রুপির বেশি হাতিয়ে নেওয়া অর্থ তিনি এসব অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করেছিলেন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, যাদবের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও বিভিন্ন আর্থিক উৎস জব্দ করা হয়েছে। পরে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তদন্তে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে একদল প্রতারক কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআইয়ের কর্মকর্তা পরিচয়ে ওই বৃদ্ধের সঙ্গে যোগাযোগ করে। একটি মামলায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে দাবি করে তারা গ্রেপ্তারের ভয় দেখায়। আইনি ব্যবস্থা এড়াতে বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১০ কোটি ৭৪ লাখ রুপি স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয় তাকে। প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে পরে পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। এ ঘটনায় প্রতারকদের একজন এটিএম থেকে টাকা তোলার সময় পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। এরপর তদ

৫ হাজারের বেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টধারী সেলিব্রেটি গ্রেপ্তার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগে ভারতের এক ফেসবুক ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোহান যাদব নামের ওই ইনফ্লুয়েন্সারের সঙ্গে ৫ হাজারের বেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সম্পৃক্ততা পেয়েছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ রয়েছে, এক বৃদ্ধের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ১০ কোটি রুপির বেশি হাতিয়ে নেওয়া অর্থ তিনি এসব অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করেছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, যাদবের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও বিভিন্ন আর্থিক উৎস জব্দ করা হয়েছে। পরে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

তদন্তে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে একদল প্রতারক কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআইয়ের কর্মকর্তা পরিচয়ে ওই বৃদ্ধের সঙ্গে যোগাযোগ করে। একটি মামলায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে দাবি করে তারা গ্রেপ্তারের ভয় দেখায়। আইনি ব্যবস্থা এড়াতে বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১০ কোটি ৭৪ লাখ রুপি স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয় তাকে।

প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে পরে পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। এ ঘটনায় প্রতারকদের একজন এটিএম থেকে টাকা তোলার সময় পুলিশের হাতে ধরা পড়েন।

এরপর তদন্তের সূত্র ধরে হর্ষদ সুভাষ ধানতোল, সমর্থ সুরেশ দেশমুখ ও অমর শিবাজি আত্তার্গী নামে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে যাদবের নাম উঠে আসে। ধানতোল পুলিশকে জানান, এটিএম থেকে উত্তোলন করা টাকা তিনি যাদবের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

পুলিশের দাবি, প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ১০ কোটি ৭৪ লাখ রুপি মোট ৫ হাজার ৪৩৬টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করেছিলেন যাদব। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে তিনি হংকংয়ের কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং তাদের সঙ্গে ভিডিও কলেও কথা বলতেন।

কর্মকর্তাদের মতে, হংকংয়ে থাকা ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে ডিজিটাল ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করতেন যাদব। ভারত থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় অর্থ পাঠানোর ব্যবস্থা করে দেওয়ার বিনিময়ে তিনি মোটা অঙ্কের কমিশন পেতেন বলে তদন্তে জানা গেছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে পরিচিতির পাশাপাশি যাদব সেলিব্রিটি ম্যানেজমেন্টের কাজও করতেন। তার বিরুদ্ধে পুনে ও পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow