৫০ বাংলাদেশি শ্রমিকের বকেয়া মেটানোর আশ্বাস মালয়েশীয় প্রতিষ্ঠানের

মালয়েশিয়ার জোহর বাহরুভিত্তিক একটি প্রকৌশল নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এসস্টার ভিশন এসডিএন বিএইচডি প্রায় ৫০ জন শ্রমিকের বকেয়া বেতন পরিশোধে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এরই মধ্যে আংশিক পরিশোধ শুরু হয়েছে এবং বাকি বিষয়গুলো নিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র ল’ ইউক হুই বলেন, কোম্পানিটি ‌‘দায়িত্বশীলভাবে এবং মালয়েশিয়ার আইন অনুযায়ী’ সমস্যার সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিষ্পত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তবে অভিযোগকারী শ্রমিকদের দাবি, এখনো তাদের বকেয়া বেতন পুরোপুরি পরিশোধ করা হয়নি। প্রায় ৫০ জন বাংলাদেশি শ্রমিকের পক্ষ থেকে ‘এমডি রুবেল’ নামে পরিচিত এক শ্রমিক জানান, তাদের তিন থেকে আট মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। রুবেল বলেন, দীর্ঘদিন বেতন না পাওয়ায় তারা দেশে থাকা পরিবারের কাছে অর্থ পাঠাতে পারছেন না, এমনকি মালয়েশিয়ায় আসার জন্য নেওয়া ঋণও পরিশোধ করতে পারছেন না। তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার একদল শ্রমিক রাজ্য শ্রম দপ্তরের সামনে জড়ো হয়ে পুনরায় অভিযোগ দায়ের করেন। এর আগে কয়েক মাস আগেও তারা অভিযোগ করেছিলেন। তিনি আরও অভি

৫০ বাংলাদেশি শ্রমিকের বকেয়া মেটানোর আশ্বাস মালয়েশীয় প্রতিষ্ঠানের

মালয়েশিয়ার জোহর বাহরুভিত্তিক একটি প্রকৌশল নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এসস্টার ভিশন এসডিএন বিএইচডি প্রায় ৫০ জন শ্রমিকের বকেয়া বেতন পরিশোধে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এরই মধ্যে আংশিক পরিশোধ শুরু হয়েছে এবং বাকি বিষয়গুলো নিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র ল’ ইউক হুই বলেন, কোম্পানিটি ‌‘দায়িত্বশীলভাবে এবং মালয়েশিয়ার আইন অনুযায়ী’ সমস্যার সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিষ্পত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

তবে অভিযোগকারী শ্রমিকদের দাবি, এখনো তাদের বকেয়া বেতন পুরোপুরি পরিশোধ করা হয়নি। প্রায় ৫০ জন বাংলাদেশি শ্রমিকের পক্ষ থেকে ‘এমডি রুবেল’ নামে পরিচিত এক শ্রমিক জানান, তাদের তিন থেকে আট মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে।

রুবেল বলেন, দীর্ঘদিন বেতন না পাওয়ায় তারা দেশে থাকা পরিবারের কাছে অর্থ পাঠাতে পারছেন না, এমনকি মালয়েশিয়ায় আসার জন্য নেওয়া ঋণও পরিশোধ করতে পারছেন না।

তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার একদল শ্রমিক রাজ্য শ্রম দপ্তরের সামনে জড়ো হয়ে পুনরায় অভিযোগ দায়ের করেন। এর আগে কয়েক মাস আগেও তারা অভিযোগ করেছিলেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, একাধিকবার বাংলাদেশ হাইকমিশনকে বিষয়টি জানানো হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। গত মার্চে তাদের দুর্দশার খবর প্রকাশের পর মানবসম্পদমন্ত্রী আর রামানান কোম্পানিটিকে দ্রুত বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দেন।

রুবেলের ভাষ্য, কিছু শ্রমিকের সমস্যা সমাধান হলেও অধিকাংশই এখনো মাসের পর মাস বেতন পাননি। তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও শ্রম দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান, যেন শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য পাওনা বুঝে পান।

এদিকে বকেয়া বেতন সংকট সমাধানের পথে অগ্রগতি জানালো হাইকমিশন। হাইকমিশন বলছে, জোহর বাহরুর নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এসস্টার ভিশন এসডিএন বিএইচডি-এর অধীনে কর্মরত অভিবাসী শ্রমিকদের বকেয়া বেতন সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে নতুন অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

শনিবার বাংলাদেশ হাইকমিশন শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করার আশ্বাস দিয়েছে। হাইকমিশনের পক্ষ থেকে মিনিস্টার লেবার শ্রমিকদের জানান, সমস্যাটি দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং খুব শিগগিরই একটি ইতিবাচক ফলাফল আশা করা যাচ্ছে।

এদিকে শ্রমিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা ডেপুটি হাইকমিশনার মনিকার সঙ্গেও যোগাযোগ রেখেছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে বিষয়টি তার অধীনস্থ এক কর্মকর্তার কাছে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং তা নিষ্পত্তির জন্য কাজ চলমান।

শ্রমিকদের আশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এই সমন্বিত উদ্যোগের ফলে দীর্ঘদিনের বকেয়া বেতন সমস্যা দ্রুতই সমাধান হবে এবং তারা তাদের ন্যায্য পাওনা বুঝে পাবেন।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow