৫৬ জনের বহরে প্রত্যাশা শুধু কাবাডিতে
এশিয়ান বিচ গেমসের প্রথম তিন আসরে পদকের খাতায় বাংলাদেশের নাম উঠিয়েছিল কাবাডি। প্রথম আসরে পুরুষ দল ব্রোঞ্জ জিতেছিল। দ্বিতীয় আসরে এই পদক এসেছিল মেয়েদের কল্যাণে। ২২ থেকে ৩০ এপ্রিল চীনের সানিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ষষ্ঠ আসরে সেই কাবাডি নিয়েই প্রত্যাশা বাংলাদেশের। বৃহস্পতিবার বিওএ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ আশা ব্যক্ত করেছেন গেমসের বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের শেফ দ্য মিশন ইমরোজ আহমেদ। ৪৫ দেশের এই ক্রীড়াযজ্ঞে প্রতিযোগিতা হবে ১৪ ডিসিপ্লিনে। বাংলাদেশ অংশ নিচ্ছে অ্যাথলেটিকস, ওপেন ওয়াটার সুইমিং, হ্যান্ডবল, কাবাডি ছেলে ও মেয়ে, কুস্তি, ভলিবল ছেলে ও মেয়ে। বাস্কেটবলেও দল পাঠানোর প্রস্তুতি ছিল। তবে এ খেলাটি কোয়ালিফাই করতে পারেনি বলে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রতিনিধি করবে ৬ ডিসিপ্লিনে। অ্যাথলেট ও কোচ মিলিয়ে ৪১ জন। অন্যান্য কর্মকর্তাসহ বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের বহর ৫৬ জনের। প্রশিক্ষণ ও অংশগ্রহণ মিলিয়ে এই গেমসে বাংলাদেশের বাজেট সাড়ে ৫ কোটি টাকার মতো। বিওএ থেকে আপাতত এই ব্যয় করা হচ্ছে। সরকার অর্থ ছাড় দিলে খরচ সমন্বয় করবে বিওএ। বিশাল এই বহর পাঠিয়ে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন ব্রোঞ্জ আশা করছে শুধু কাবাডি থেকে।
এশিয়ান বিচ গেমসের প্রথম তিন আসরে পদকের খাতায় বাংলাদেশের নাম উঠিয়েছিল কাবাডি। প্রথম আসরে পুরুষ দল ব্রোঞ্জ জিতেছিল। দ্বিতীয় আসরে এই পদক এসেছিল মেয়েদের কল্যাণে। ২২ থেকে ৩০ এপ্রিল চীনের সানিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ষষ্ঠ আসরে সেই কাবাডি নিয়েই প্রত্যাশা বাংলাদেশের। বৃহস্পতিবার বিওএ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ আশা ব্যক্ত করেছেন গেমসের বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের শেফ দ্য মিশন ইমরোজ আহমেদ।
৪৫ দেশের এই ক্রীড়াযজ্ঞে প্রতিযোগিতা হবে ১৪ ডিসিপ্লিনে। বাংলাদেশ অংশ নিচ্ছে অ্যাথলেটিকস, ওপেন ওয়াটার সুইমিং, হ্যান্ডবল, কাবাডি ছেলে ও মেয়ে, কুস্তি, ভলিবল ছেলে ও মেয়ে। বাস্কেটবলেও দল পাঠানোর প্রস্তুতি ছিল। তবে এ খেলাটি কোয়ালিফাই করতে পারেনি বলে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রতিনিধি করবে ৬ ডিসিপ্লিনে।
অ্যাথলেট ও কোচ মিলিয়ে ৪১ জন। অন্যান্য কর্মকর্তাসহ বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের বহর ৫৬ জনের। প্রশিক্ষণ ও অংশগ্রহণ মিলিয়ে এই গেমসে বাংলাদেশের বাজেট সাড়ে ৫ কোটি টাকার মতো। বিওএ থেকে আপাতত এই ব্যয় করা হচ্ছে। সরকার অর্থ ছাড় দিলে খরচ সমন্বয় করবে বিওএ।
বিশাল এই বহর পাঠিয়ে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন ব্রোঞ্জ আশা করছে শুধু কাবাডি থেকে। বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এসএম নেওয়াজ সোহাগ যেমন বলছিলেন তারা কাবাডির পদক উদ্ধারের জন্য যাচ্ছে।
অংশগ্রহণকারী অন্য পাঁচ ডিসিপ্লিনের কর্মকর্তারাও তাদের প্রস্তুতি ও সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান রানা ও মহাপরিচালক এবিএম শেফাউল কবীর।
আরআই/আইএইচএস/
What's Your Reaction?