৫৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ, আহমেদীয়া ফাইন্যান্সের হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ

অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করে আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে আহমেদীয়া ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের একাধিক ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. বিল্লাল হোসেন আদালতে দাখিল করা আবেদনে উল্লেখ করেন, প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মো. মনির আহমেদ (৫১) তার সহযোগী সখিনা আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সহায়তায় মিরপুর, সেনানিবাস ও কাফরুল এলাকার প্রায় এক হাজার থেকে এক হাজার ১০০ জন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে মোট ৫৮ কোটি ৩৪ লাখ ৬৭ হাজার টাকা সংগ্রহ করেন। তদন্তে আরও জানা যায়, সমবায় অধিদপ্তরের বিধিমালা লঙ্ঘন করে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা কর

৫৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ, আহমেদীয়া ফাইন্যান্সের হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ

অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করে আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে আহমেদীয়া ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের একাধিক ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. বিল্লাল হোসেন আদালতে দাখিল করা আবেদনে উল্লেখ করেন, প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মো. মনির আহমেদ (৫১) তার সহযোগী সখিনা আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সহায়তায় মিরপুর, সেনানিবাস ও কাফরুল এলাকার প্রায় এক হাজার থেকে এক হাজার ১০০ জন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে মোট ৫৮ কোটি ৩৪ লাখ ৬৭ হাজার টাকা সংগ্রহ করেন।

তদন্তে আরও জানা যায়, সমবায় অধিদপ্তরের বিধিমালা লঙ্ঘন করে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। সংগৃহীত অর্থ সদস্যদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যয় না করে আসামিরা তা নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করেন এবং পরে নামে-বেনামে জমি ও ফ্ল্যাট কেনায় ব্যবহার করেন।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের সেনানিবাস শাখার তিনটি হিসাব এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির সেনানিবাস শাখার তিনটি হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার প্রধান অভিযুক্ত মনির আহমেদ ফেনী সদর থানার গোবিন্দপুর গ্রামের মৃত হাজী ছেলামত উল্ল্যাহর ছেলে। তার মালিকানাধীন আলমেডিয়া ডেভেলপার লিমিটেড, ইউরো স্টার হোম অ্যাপ্লায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য পেয়েছে সিআইডি।

এছাড়া বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় তিনটি প্লট এবং কাফরুলের ইব্রাহিমপুর এলাকায় ‘ইউরো স্টার টাওয়ার’ নামে ৮ দশমিক ৪৭ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত একটি ভবনের সন্ধানও পাওয়া গেছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা হয়। বর্তমানে মামলাটি সিআইডির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম শাখা তদন্ত করছে।

এমডিএএ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow