৬০ দিনের বেশি যুদ্ধের জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন লাগে, ট্রাম্প কী করবেন?
ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর প্রণীত একটি আইন অনুযায়ী, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ৬০ দিনের বেশি চালানো যায় না। তবে ইরান যুদ্ধের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই নিয়ম মানবেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। এই আইনের নাম ওয়ার পাওয়ার রেজ্যুলেশন। এতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট যদি কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই সেনা মোতায়েন করেন, তাহলে কিছু নির্দিষ্ট সময়সীমা অনুসরণ করতে হবে। প্রথমত, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসকে জানাতে হবে যে তিনি কোথায় এবং কেন সামরিক বাহিনী পাঠিয়েছেন, সেই সঙ্গে অভিযানের সম্ভাব্য সময়কালও ব্যাখ্যা করতে হবে। ট্রাম্প কংগ্রেসকে পাঠানো বার্তায় বলেছেন, তিনি সংবিধান অনুযায়ী নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, ৬০ দিনের মধ্যে কংগ্রেসকে এই সামরিক অভিযানের অনুমোদন দিতে হবে। যদি অনুমোদন না দেওয়া হয়, তাহলে আইন অনুযায়ী প্রেসিডেন্টকে অভিযান বন্ধ করতে হবে।তৃতীয়ত, প্রয়োজনে আরও ৩০ দিন সময় বাড়ানো যেতে পারে, যদি প্রেসিডেন্ট যুক্তি দেন যে সেনাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে অতিরিক্ত সময় দরকার। তবে এই ৬০ দিনের সময়সীমা ঠিক কখন থেকে গণনা শুরু হবে, তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। কেউ বল
ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর প্রণীত একটি আইন অনুযায়ী, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ৬০ দিনের বেশি চালানো যায় না। তবে ইরান যুদ্ধের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই নিয়ম মানবেন কি না, তা স্পষ্ট নয়।
এই আইনের নাম ওয়ার পাওয়ার রেজ্যুলেশন। এতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট যদি কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই সেনা মোতায়েন করেন, তাহলে কিছু নির্দিষ্ট সময়সীমা অনুসরণ করতে হবে। প্রথমত, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসকে জানাতে হবে যে তিনি কোথায় এবং কেন সামরিক বাহিনী পাঠিয়েছেন, সেই সঙ্গে অভিযানের সম্ভাব্য সময়কালও ব্যাখ্যা করতে হবে। ট্রাম্প কংগ্রেসকে পাঠানো বার্তায় বলেছেন, তিনি সংবিধান অনুযায়ী নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
দ্বিতীয়ত, ৬০ দিনের মধ্যে কংগ্রেসকে এই সামরিক অভিযানের অনুমোদন দিতে হবে। যদি অনুমোদন না দেওয়া হয়, তাহলে আইন অনুযায়ী প্রেসিডেন্টকে অভিযান বন্ধ করতে হবে।
তৃতীয়ত, প্রয়োজনে আরও ৩০ দিন সময় বাড়ানো যেতে পারে, যদি প্রেসিডেন্ট যুক্তি দেন যে সেনাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে অতিরিক্ত সময় দরকার।
তবে এই ৬০ দিনের সময়সীমা ঠিক কখন থেকে গণনা শুরু হবে, তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। কেউ বলছেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার দিন থেকে, আবার কেউ বলছেন কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর দিন থেকে সময় গণনা করা উচিত। ফলে ডেডলাইনের তারিখ এপ্রিল ২৯ বা মে ১—দুটিই আলোচনায় রয়েছে।
কিছু রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা মনে করেন, যুদ্ধবিরতির সময় এই ৬০ দিনের মধ্যে ধরা উচিত নয়। এমনকি কিছু ডেমোক্র্যাটও বলেছেন, যুদ্ধবিরতি এই সময়সীমা হিসাবকে জটিল করে তুলতে পারে।
আইনটি থাকলেও বাস্তবে কখনো এটি ব্যবহার করে কোনো সামরিক অভিযান বন্ধ করা হয়নি। অতীতের বিভিন্ন প্রেসিডেন্ট এই আইনের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
এদিকে কংগ্রেস চাইলে যেকোনো সময় প্রেসিডেন্টের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করতে পারে, কিন্তু এবার ডেমোক্র্যাটদের সেই প্রচেষ্টা এখন পর্যন্ত সফল হয়নি। রিপাবলিকানদের মধ্যেও অনেকে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুললেও প্রকাশ্যে বিরোধিতা করতে অনীহা দেখা যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ৬০ দিনের সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে কংগ্রেসে এ বিষয়ে চাপ বাড়তে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেবে, তা এখনো অনিশ্চিত।
সূত্র: সিএনএন
এমএসএম
What's Your Reaction?