৬০০ টাকার ভাড়া ১০০০ টাকা, মহাসড়কে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ

কোরবানির ঈদকে ঘিরে শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরের পর থেকেই ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যানবাহনের বাড়তি চাপ লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে নবীনগর ত্রি-মোড় এলাকায় দূরপাল্লার বাস, ব্যক্তিগত যানবাহন ও পশুবাহী ট্রাকের কারণে ধীরগতির সৃষ্টি হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে রাজধানী ও আশপাশের পশুর হাটগুলোতে কোরবানির পশু নিয়ে একের পর এক ট্রাক প্রবেশ করায় মহাসড়কে চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। একই সঙ্গে শিল্পাঞ্চলের পোশাক কারখানাগুলোতে ছুটি শুরু হওয়ায় কর্মজীবী মানুষ পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে বাড়ির পথে রওনা দিচ্ছেন। শিল্প পুলিশের তথ্যমতে, মঙ্গলবার আশুলিয়ার প্রায় ৪৩ শতাংশ গার্মেন্টস কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগের দিন ছুটি দেওয়া হয় আরও ৩৭ শতাংশ কারখানায়। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে ঘরমুখো যাত্রীর সংখ্যা। এদিকে নবীনগর-চন্দ্রা ও বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর সড়কে চলমান এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজের কারণে বিভিন্ন স্থানে সড়কের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি বৈরি আবহাও এবং বৃষ্টিতে ভারী যানবা

৬০০ টাকার ভাড়া ১০০০ টাকা, মহাসড়কে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ

কোরবানির ঈদকে ঘিরে শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরের পর থেকেই ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যানবাহনের বাড়তি চাপ লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে নবীনগর ত্রি-মোড় এলাকায় দূরপাল্লার বাস, ব্যক্তিগত যানবাহন ও পশুবাহী ট্রাকের কারণে ধীরগতির সৃষ্টি হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে রাজধানী ও আশপাশের পশুর হাটগুলোতে কোরবানির পশু নিয়ে একের পর এক ট্রাক প্রবেশ করায় মহাসড়কে চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। একই সঙ্গে শিল্পাঞ্চলের পোশাক কারখানাগুলোতে ছুটি শুরু হওয়ায় কর্মজীবী মানুষ পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে বাড়ির পথে রওনা দিচ্ছেন।

শিল্প পুলিশের তথ্যমতে, মঙ্গলবার আশুলিয়ার প্রায় ৪৩ শতাংশ গার্মেন্টস কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগের দিন ছুটি দেওয়া হয় আরও ৩৭ শতাংশ কারখানায়। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে ঘরমুখো যাত্রীর সংখ্যা।

এদিকে নবীনগর-চন্দ্রা ও বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর সড়কে চলমান এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজের কারণে বিভিন্ন স্থানে সড়কের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি বৈরি আবহাও এবং বৃষ্টিতে ভারী যানবাহন চলাচলে ধীরগতি দেখা দিচ্ছে। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

উত্তরের যাত্রীরা জানান, বৃষ্টির কারণে দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ। পাশাপাশি মহাসড়কে থ্রি-হুইলার ও অননুমোদিত যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিরাপত্তা ও যানজট নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রংপুরগামী যাত্রী ফারজানা বলেন,৬০০ টাকার ভাড়া ১০০০ টাকা চাচ্ছে। আমার এতো টাকা নেই তাই বৃষ্টিতে ভিজে সড়কে দাড়িয়ে আছি।

বাগুরাগামী যাত্রী, রহিম বলেন আমরা গরিব মানুষ চাকরি করি গার্মেন্টসে। বেতন যা পাই তা দিয়ে হিসেব করে চলতে হয়। এখন যে পরিমাণ ভাড়া চাচ্ছে এই ভাড়া দিয়ে আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব না। ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধ করতে এখনই ব্যাবস্থা নেয়া দরকার।

কুড়িগ্রামগামী বাস চালক রহিম বলেন,আগে ৬-৭ ঘণ্টায় পৌঁছাতে পারতাম এখন লাগে ১৫ ঘণ্টা। পাশাপাশি ঢাকায় ফিরতে হয় খালি গাড়ি নিয়ে, তাই কিছুটা ভাড়া বেশি নিতে হয়।

সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শাজাহান বলেন, মহাসড়কে এখনো বড় ধরনের যানজট সৃষ্টি হয়নি। তবে যাত্রীর চাপ বাড়ায় কিছু কিছু স্থানে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।

তিনি বলেন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো অভিযোগ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে মহাসড়কে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow