৭ ডিগ্রির ঘরে তেঁতুলিয়ার তাপমাত্রা, বইছে শৈত্যপ্রবাহ

হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হিমশীতল বাতাস আর কনকনে শীতে কাঁপছে দেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া। তাপমাত্রা অনুযায়ী তেঁতুলিয়ায় বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।  তবে সকাল ৯টার পর সূর্যের দেখা মিলছে।  বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ৯ টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আদ্রতার পরিমাণ ১০০ শতাংশ ছিল। এর তিন ঘন্টা আগে, ভোর ৬টায় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।  এর আগেও বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় ৮ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় আবওহাওয়ার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়রা জানান,সারাদিন উত্তরের হিমেল বাতাসের কারণে শীতের মাত্রাটা বেশি বাড়ে এখানে। রাত তা আরও বাড়তে থাকলে শীতও বৃদ্ধি পায় অধিক হারে। এদিকে, বরফঝরা প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করেই জীবিকার তাগিদে হিম সকালেই কাজে যেতে দেখা যায় এ অঞ্চলে পাথর শ্রমিক, চা শ্রমিক, ভ্যান চালক,দিনমজুর থেকে নিম্নআয়ের বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষদের। পাথর শ্রমিকরা নদীতে বর

৭ ডিগ্রির ঘরে তেঁতুলিয়ার তাপমাত্রা, বইছে শৈত্যপ্রবাহ
হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হিমশীতল বাতাস আর কনকনে শীতে কাঁপছে দেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া। তাপমাত্রা অনুযায়ী তেঁতুলিয়ায় বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।  তবে সকাল ৯টার পর সূর্যের দেখা মিলছে।  বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ৯ টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আদ্রতার পরিমাণ ১০০ শতাংশ ছিল। এর তিন ঘন্টা আগে, ভোর ৬টায় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।  এর আগেও বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় ৮ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় আবওহাওয়ার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়রা জানান,সারাদিন উত্তরের হিমেল বাতাসের কারণে শীতের মাত্রাটা বেশি বাড়ে এখানে। রাত তা আরও বাড়তে থাকলে শীতও বৃদ্ধি পায় অধিক হারে। এদিকে, বরফঝরা প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করেই জীবিকার তাগিদে হিম সকালেই কাজে যেতে দেখা যায় এ অঞ্চলে পাথর শ্রমিক, চা শ্রমিক, ভ্যান চালক,দিনমজুর থেকে নিম্নআয়ের বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষদের। পাথর শ্রমিকরা নদীতে বরফ জলের মধ্যেই নেমে পড়েন কাজে। মহানন্দা ও ডাহুক নদীতে পাথর তোলা ইরফান,আজগর ও মোতালেবসহ কয়েকজন পাথর শ্রমিক জানান, নদীর পানি বরফের মতো ঠান্ডা। কিন্তু কী করব, পাথর তোলা ছাড়া আর কোনো কাজ নেই। এ পাথর তুলেই জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। তাই পেটের তাগিদেই বরফ জলে নেমে পাথর তুলতে হচ্ছে।  চা শ্রমিক সাইফুল, জামালসহ কয়েকজন জানান,গত কয়েকদিন ধরে ভোরে প্রচণ্ড হিমশীতল বাতাস ও কনকনে শীতের মধ্যেই চা বাগানে পাতা তুলতে এসে হাত-পা অবশ হয়ে আসছে। কিন্তু কী করব, জীবিকার তাগিদে কাজ করতে হচ্ছে।  এদিকে পঞ্চগড়ের আশপাশের জেলায় গত কয়েক দিন থেকে শীতের মাত্রা বাড়তে থাকে এবং রাতে ও সকালে প্রচন্ড কুয়াশা পড়ে। শীত নেমে আশায় গ্রাম-গঞ্জের মানুষ শীতের গরম কাপড় পরিধান করছে। তবে বুধবার থেকে শীতের তীব্রতা হঠাৎ বেড়ে যায়। সারাদিন ঠাণ্ডা আবহাওয়া বিকালে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পায়। এলাকায় শীতের তীব্রতা বেড়ে গেলেও এখনও সরকারিভাবে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এদিকে শীতের কারণে বাড়তে শুরু করে বিভিন্ন শীতজনিত রোগ ব্যাধি। জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোতে আউটডোরে ঠান্ডাজনিত রোগী বাড়তে শুরু করেছে। চিকিৎকরা চিকিৎসরা পাশাপাশি শীতজনিত রোগ থেকে নিরাময় থাকতে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করছেন। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যেবক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, বৃহস্পতিবার পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সকাল ৯টায় ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আদ্রতার পরিমাণ ১০০ শতাংশ ছিল। গত কয়েকদিন ধরে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে এখানে। হিমালয়ের নিকটবর্তী হওয়ায় এখানে শীতের তীব্রতা একটু বেশি হয়ে থাকে। সামনের দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow