৭০ শতাংশ গ্র্যাজুয়েট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের, দক্ষতা উন্নয়নে ইউনিসেফ

দেশের ফরমাল ও ইনফরমাল সেক্টরে প্রতিবছর ৭০ শতাংশ গ্র্যাজুয়েট তৈরি করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। বিপুলসংখ্যক এসব গ্র্যাজুয়েটকে দক্ষ ও কর্মমুখী করে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করছে ইউনিসেফ। মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল, স্কিল বেইজড কোর্স, আইসিটি, ডিজিটাল কনটেন্ট ও কারিকুলাম উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে যৌথভাবে কাজ করছে দুই প্রতিষ্ঠান। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে উপাচার্য দপ্তরের কনফারেন্স রুমে বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিসেফের গ্লোবাল টিমের প্রতিনিধিদের মধ্যে মতবিনিময় সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় ইউনিসেফের সাত সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ের জেনারেশন আনলিমিটেডের সিনিয়র উপদেষ্টা থমাস মাইকেল। সভায় ‘ট্রান্সফর্মিং হায়ার এডুকেশন ফর এ স্কিলড, ডিজিটাল অ্যান্ড ইনক্লুসিভ বাংলাদেশ’ কার্যক্রমের অগ্রগতি ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল একাডেমি প্রতিষ্ঠা, স্কিল বেইজড কোর্স, আইসিটি ও ডিজিটাল কনটেন্ট, কারিকুলাম উন্নয়ন এবং দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ন

৭০ শতাংশ গ্র্যাজুয়েট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের, দক্ষতা উন্নয়নে ইউনিসেফ

দেশের ফরমাল ও ইনফরমাল সেক্টরে প্রতিবছর ৭০ শতাংশ গ্র্যাজুয়েট তৈরি করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। বিপুলসংখ্যক এসব গ্র্যাজুয়েটকে দক্ষ ও কর্মমুখী করে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করছে ইউনিসেফ। মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল, স্কিল বেইজড কোর্স, আইসিটি, ডিজিটাল কনটেন্ট ও কারিকুলাম উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে যৌথভাবে কাজ করছে দুই প্রতিষ্ঠান।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে উপাচার্য দপ্তরের কনফারেন্স রুমে বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিসেফের গ্লোবাল টিমের প্রতিনিধিদের মধ্যে মতবিনিময় সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় ইউনিসেফের সাত সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ের জেনারেশন আনলিমিটেডের সিনিয়র উপদেষ্টা থমাস মাইকেল।

সভায় ‘ট্রান্সফর্মিং হায়ার এডুকেশন ফর এ স্কিলড, ডিজিটাল অ্যান্ড ইনক্লুসিভ বাংলাদেশ’ কার্যক্রমের অগ্রগতি ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল একাডেমি প্রতিষ্ঠা, স্কিল বেইজড কোর্স, আইসিটি ও ডিজিটাল কনটেন্ট, কারিকুলাম উন্নয়ন এবং দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে গবেষণার ফিজিবিলিটি স্টাডি নিয়েও আলোচনা হয়।

বিপুলসংখ্যক তরুণ গ্র্যাজুয়েটকে দক্ষ ও কর্মমুখী মানবসম্পদে পরিণত করা এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাদের প্রস্তুত করার বিভিন্ন কৌশল নিয়েও আলোচনা হয়। এসময় দক্ষ, কর্মমুখী, ডিজিটাল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিসেফের চলমান সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে ঐকমত্য হয়।

সভায় উপাচার্য অধ্যাপক আমানুল্লাহ বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছর দেশের ফরমাল ও ইনফরমাল সেক্টরে ৭০ শতাংশ গ্র্যাজুয়েট তৈরি করে। বিপুলসংখ্যক গ্র্যাজুয়েটকে দক্ষ ও কর্মমুখী করে তুলতে ইউনিসেফ বাংলাদেশ যে সহযোগিতা করছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে আইসিটি ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরিতে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে কর্মমুখী কোর্স চালু হয়েছে এবং কারিকুলাম আধুনিকায়নের কাজ চলছে। এক্ষেত্রে ইউনিসেফের কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা আরও জোরদার প্রয়োজন।

আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের ডিগ্রিধারীদের দক্ষতা ও যোগ্যতার চাহিদা বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ চলছে জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘এ লক্ষ্যে ইউনিসেফ বাংলাদেশকে আমাদের লিড পার্টনার হিসেবে পাশে পাওয়ার প্রত্যাশা করি।’

ইউনিসেফের সিনিয়র উপদেষ্টা থমাস মাইকেল বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় একটি বিশাল প্রতিষ্ঠান এবং বিপুলসংখ্যক তরুণ এর সঙ্গে যুক্ত। তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে আমরা একসঙ্গে কাজ করছি।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারত্ব। ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নাজমুল হোসাইন, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেনসহ বিভিন্ন দপ্তর ও বিভাগের প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এএএইচ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow