৭২ বছর বয়সেও আব্দুর রশিদের কাঁধে জীবিকার ভার

বয়স ৭২ বছর। তারপরও থেমে নেই জীবন সংগ্রাম। কাঁধে একটি টিনের বাক্স ঝুলিয়ে ক্রেতার সন্ধানে বেরিয়ে পড়েন প্রতিদিন। বিক্রি করেন হাওয়াই মিঠাই। জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার গুণেরতলা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ। বর্তমানে কিশোরগঞ্জ রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়লেও সংসারের দায়িত্ব তাকে থামতে দেয়নি। গ্রামের ভিটেমাটি ছেড়ে স্ত্রীকে নিয়ে কিশোরগঞ্জ শহরে এসেছেন শুধু দুবেলা খাবারের নিশ্চয়তার জন্য। সম্প্রতি শহরের মুক্তমঞ্চ এলাকায় তার সঙ্গে দেখা হয় এ প্রতিবেদকের। আব্দুর রশিদ বলেন, ‘এই বয়সে কাজের ইচ্ছা কম, তবু সংসার চালাতে শহরে এসে হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করছি। দুই মেয়ে ও তিন ছেলে আলাদা সংসার করছে। তাদের সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। তাই আমি নিজেই রোজগারের চেষ্টা করছি। প্রতিদিন ভোরে বের হয়ে শহরের বিভিন্ন অলিগলি ঘুরে ঘুরে মিষ্টি বিক্রি করি। আয় হয় ৪০০-৬০০ টাকা। তবে বৃষ্টি হলে কম হয়।’ মুক্তমঞ্চে হাওয়াই মিঠাই খাচ্ছিলেন বর্ষা নামের এক তরুণী। তিনি বলেন, ‘এই বয়সে কেউ রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে মিষ্টি বিক্রি করছে—দেখে মন খারাপ হয়। আমাদের ছোট আনন্দের জন্য কেউ এত কষ্ট করছে, ভাবতেও অবাক লাগে।

৭২ বছর বয়সেও আব্দুর রশিদের কাঁধে জীবিকার ভার

বয়স ৭২ বছর। তারপরও থেমে নেই জীবন সংগ্রাম। কাঁধে একটি টিনের বাক্স ঝুলিয়ে ক্রেতার সন্ধানে বেরিয়ে পড়েন প্রতিদিন। বিক্রি করেন হাওয়াই মিঠাই।

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার গুণেরতলা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ। বর্তমানে কিশোরগঞ্জ রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়লেও সংসারের দায়িত্ব তাকে থামতে দেয়নি। গ্রামের ভিটেমাটি ছেড়ে স্ত্রীকে নিয়ে কিশোরগঞ্জ শহরে এসেছেন শুধু দুবেলা খাবারের নিশ্চয়তার জন্য।

৭২ বছর বয়সেও আব্দুর রশিদের কাঁধে জীবিকার ভার

সম্প্রতি শহরের মুক্তমঞ্চ এলাকায় তার সঙ্গে দেখা হয় এ প্রতিবেদকের। আব্দুর রশিদ বলেন, ‘এই বয়সে কাজের ইচ্ছা কম, তবু সংসার চালাতে শহরে এসে হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করছি। দুই মেয়ে ও তিন ছেলে আলাদা সংসার করছে। তাদের সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। তাই আমি নিজেই রোজগারের চেষ্টা করছি। প্রতিদিন ভোরে বের হয়ে শহরের বিভিন্ন অলিগলি ঘুরে ঘুরে মিষ্টি বিক্রি করি। আয় হয় ৪০০-৬০০ টাকা। তবে বৃষ্টি হলে কম হয়।’

মুক্তমঞ্চে হাওয়াই মিঠাই খাচ্ছিলেন বর্ষা নামের এক তরুণী। তিনি বলেন, ‘এই বয়সে কেউ রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে মিষ্টি বিক্রি করছে—দেখে মন খারাপ হয়। আমাদের ছোট আনন্দের জন্য কেউ এত কষ্ট করছে, ভাবতেও অবাক লাগে।’

নাবিল নামের এক তরুণ বলেন, ‘ছোটবেলায় বাড়িতে ফেরিওয়ালারা হাওয়াই মিষ্টি নিয়ে আসত। আজ আব্দুর রশিদ চাচার কাছে খেয়ে ভালো লাগছে। তবে সমাজের বিত্তবানদের উচিত এ ধরনের লোকদের পাশে দাঁড়ানো।’

এসকে রাসেল/এসআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow