৮ অভিযোগে পবিপ্রবির উপ-রেজিস্ট্রার বরখাস্ত

ঘুষ গ্রহণ, দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অননুমোদিত অনুপস্থিতি, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং নারী শিক্ষার্থী ও কর্মীদের উত্ত্যক্তকরণসহ অন্তত আটটি গুরুতর অভিযোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইমাদুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যধারা শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রোববার (২ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বরখাস্তের এই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, মুহাম্মদ ইমাদুল হকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন অননুমোদিতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ, ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মানহানিকর অপপ্রচার চালানো, বিভিন্ন গণমাধ্যমে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ গ্রহণ, হোয়াটসঅ্যাপ ও মুঠোফোনে কুরুচিপূর্ণ বার্তা আদান-প্

৮ অভিযোগে পবিপ্রবির উপ-রেজিস্ট্রার বরখাস্ত

ঘুষ গ্রহণ, দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অননুমোদিত অনুপস্থিতি, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং নারী শিক্ষার্থী ও কর্মীদের উত্ত্যক্তকরণসহ অন্তত আটটি গুরুতর অভিযোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইমাদুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যধারা শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রোববার (২ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বরখাস্তের এই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, মুহাম্মদ ইমাদুল হকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন অননুমোদিতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ, ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মানহানিকর অপপ্রচার চালানো, বিভিন্ন গণমাধ্যমে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ গ্রহণ, হোয়াটসঅ্যাপ ও মুঠোফোনে কুরুচিপূর্ণ বার্তা আদান-প্রদান এবং নারী শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া জুলাই ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব অভিযোগ পবিপ্রবির কর্মচারী আচরণ ও শৃঙ্খলা বিধিমালার একাধিক ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং গুরুতর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অভিযোগগুলোর গুরুত্ব বিবেচনায় রিজেন্ট বোর্ডকে অবহিত করে বিধিমালার ৯(১) ধারা অনুযায়ী তদন্তের স্বার্থে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, সাময়িক বরখাস্তকালীন সরকারি বিধি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমালা অনুযায়ী তিনি খোরপোষ ভাতা এবং অন্যান্য প্রাপ্য সুবিধা পাবেন। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপরেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইমাদুল হক। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। 

তার দাবি, এর আগে যাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হলেও তাকে কোনো কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ না দিয়েই সরাসরি সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow