৯০ বছর বয়সেও গাছের মুড়া কুড়িয়ে চলছে সংসার
বয়স ৯০ ছুঁইছুঁই। ঠিকমতো চোখেও দেখতে পান না। তবুও থেমে নেই জীবন সংগ্রাম। পেটের দায়ে এখনো প্রতিদিন কুড়াল আর দড়ি হাতে জঙ্গল-ঝোপে ঘুরে শুকনো গাছের মুড়া সংগ্রহ করেন নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার কাশতলা গ্রামের বাসিন্দা শাহেদ আলী। স্থানীয়রা জানান, ছোটবেলা থেকেই শাহেদ আলীকে এভাবেই কষ্ট করে জীবনযাপন করতে দেখছেন তারা। বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়লেও জীবিকার তাগিদে এখনো তাকে বিভিন্ন জঙ্গল ও ঝোপঝাড়ে ঘুরে কাঠ সংগ্রহ করতে হয়। সরকারের দেওয়া গুচ্ছগ্রামের ছোট্ট একটি ঘরে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করেন শাহেদ আলী। সংসারে অভাব-অনটন যেন নিত্যসঙ্গী। এক মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন বরিশাল বিভাগে। আর এক ছেলে নিজের সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকায় বৃদ্ধ বয়সেও থামেনি তার সংগ্রাম। শাহেদ আলী বলেন, ‘বয়স অনেক হইছে বাবা। চোখেও ভালো দেখি না। একটি চোখ অপারেশন করিয়েছিলাম। আর একটি চোখ দিয়ে দেখি না। চশমাটা ভেঙে গেছে। আর একটি কেনার মতো সামর্থ্য নেই। তাই স্কচটেপ দিয়ে জোড়া দিয়ে ব্যবহার করছি। প্রতিদিন জঙ্গলে যাই, গাছের মুড়া কুড়াই, বিক্রি কইরা কোনো রকমে চলি। ছেলে আমারে ভাত দেয় না। একটা মেয়ে মাঝেমধ্যে কিছু পাঠায়। এগুলোই খাই।’ শাহেদ আলীর স্ত্রী বলেন, ‘
বয়স ৯০ ছুঁইছুঁই। ঠিকমতো চোখেও দেখতে পান না। তবুও থেমে নেই জীবন সংগ্রাম। পেটের দায়ে এখনো প্রতিদিন কুড়াল আর দড়ি হাতে জঙ্গল-ঝোপে ঘুরে শুকনো গাছের মুড়া সংগ্রহ করেন নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার কাশতলা গ্রামের বাসিন্দা শাহেদ আলী।
স্থানীয়রা জানান, ছোটবেলা থেকেই শাহেদ আলীকে এভাবেই কষ্ট করে জীবনযাপন করতে দেখছেন তারা। বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়লেও জীবিকার তাগিদে এখনো তাকে বিভিন্ন জঙ্গল ও ঝোপঝাড়ে ঘুরে কাঠ সংগ্রহ করতে হয়।
সরকারের দেওয়া গুচ্ছগ্রামের ছোট্ট একটি ঘরে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করেন শাহেদ আলী। সংসারে অভাব-অনটন যেন নিত্যসঙ্গী। এক মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন বরিশাল বিভাগে। আর এক ছেলে নিজের সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকায় বৃদ্ধ বয়সেও থামেনি তার সংগ্রাম।
শাহেদ আলী বলেন, ‘বয়স অনেক হইছে বাবা। চোখেও ভালো দেখি না। একটি চোখ অপারেশন করিয়েছিলাম। আর একটি চোখ দিয়ে দেখি না। চশমাটা ভেঙে গেছে। আর একটি কেনার মতো সামর্থ্য নেই। তাই স্কচটেপ দিয়ে জোড়া দিয়ে ব্যবহার করছি। প্রতিদিন জঙ্গলে যাই, গাছের মুড়া কুড়াই, বিক্রি কইরা কোনো রকমে চলি। ছেলে আমারে ভাত দেয় না। একটা মেয়ে মাঝেমধ্যে কিছু পাঠায়। এগুলোই খাই।’
শাহেদ আলীর স্ত্রী বলেন, ‘ওনার শরীর আর আগের মতো নেই। চোখে দেখে না। সরকারি ঘরে থাকি, কষ্ট করে চলছি। উনার ৯০ বছর বয়স হয়েছে তবুও বয়স্ক ভাতা কার্ড হচ্ছে না।’
এলাকাবাসীর ভাষ্য, এই বয়সে একজন বৃদ্ধ মানুষের এভাবে কষ্ট করে জীবনযাপন করা সত্যিই হৃদয়বিদারক। সমাজের বিত্তবান মানুষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন তারা।
কাশতলা গ্রামের মতিউর রহমান বলেন, ‘আমরা ছোটবেলা থেকে উনাকে এভাবেই কষ্ট করতে দেখছি। এই বয়সেও উনি কুড়াল হাতে জঙ্গলে যান। সমাজের সামর্থ্যবান মানুষ এগিয়ে এলে হয়তো উনার শেষ বয়সটা একটু ভালোভাবে কাটত।
বারহাট্টা গোপালপুর বাজারের সুহেল মিয়া বলেন, মানুষটি এই বয়সে কঠোর পরিশ্রম করে সংসার চালায়। এই খড়ির বোঝাটি কাশতলা থেকে বারহাট্টা পর্যন্ত হেঁটে গিয়ে ১০০ টাকা বিক্রি করে আবার বাজার করে হেঁটে বাড়িতে যায়।
What's Your Reaction?