অজানা তথ্য জানাতে স্টার নাইটে আলমগীর

বাংলাদেশের কিংবদন্তি অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক আলমগীর। আজ তার ৭৬তম জন্মদিন। ১৯৫০ সালের ৩ এপ্রিল তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার বেড়ে ওঠা ঢাকার তেজগাঁও এলাকায়। অভিনেতার কাছে জন্মদিন একেবারেই সাধারণ একটা দিন। খুব একটা গুরুত্ব বহন করে না। তারপরও পরিবারের সদস্যরা দিনটি নিজেদের মতো করে উদযাপন করে থাকেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কত ঘটনা, অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন তার ইয়ত্তা নেই। তবে জীবনের এ পর্যায়ে এসে নিজেকে বারবার ফিরে দেখেন তিনি। ৭৬তম জন্মদিনে মাছরাঙা টেলিভিশনের ‘স্টার নাইট’ অনুষ্ঠানে অতিথি হয়েছেন বাংলা চলচ্চিত্রের এ শক্তিমান অভিনেতা। এ অনুষ্ঠানে বর্ণাঢ্য জীবন ও ক্যারিয়ারের অনেক নতুন তথ্য জানাবেন তিনি। আর তাকে নিয়ে বলবেন তার সহকর্মী, কাছের বন্ধু এবং পরিবারের সদস্যরা। অনুষ্ঠানে তার প্রিয় চলচ্চিত্রের বিভিন্ন ক্লিপিংসও দেখানো হবে। রুম্মান রশীদ খানের গ্রন্থনা ও মৌসুমী মৌয়ের উপস্থাপনায় আগামীকাল শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত ৯টায় প্রচার হবে এ অনুষ্ঠান। আলমগীরের পুরো নাম মহিউদ্দিন আহমেদ আলমগীর। বাবা কলিম উদ্দিন আহম্মেদ ওরফে দুদু মিয়া ছিলেন ঢালিউডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এর অন্যতম প্রযোজক। চলচ্চিত্রে 

অজানা তথ্য জানাতে স্টার নাইটে আলমগীর
বাংলাদেশের কিংবদন্তি অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক আলমগীর। আজ তার ৭৬তম জন্মদিন। ১৯৫০ সালের ৩ এপ্রিল তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার বেড়ে ওঠা ঢাকার তেজগাঁও এলাকায়। অভিনেতার কাছে জন্মদিন একেবারেই সাধারণ একটা দিন। খুব একটা গুরুত্ব বহন করে না। তারপরও পরিবারের সদস্যরা দিনটি নিজেদের মতো করে উদযাপন করে থাকেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কত ঘটনা, অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন তার ইয়ত্তা নেই। তবে জীবনের এ পর্যায়ে এসে নিজেকে বারবার ফিরে দেখেন তিনি। ৭৬তম জন্মদিনে মাছরাঙা টেলিভিশনের ‘স্টার নাইট’ অনুষ্ঠানে অতিথি হয়েছেন বাংলা চলচ্চিত্রের এ শক্তিমান অভিনেতা। এ অনুষ্ঠানে বর্ণাঢ্য জীবন ও ক্যারিয়ারের অনেক নতুন তথ্য জানাবেন তিনি। আর তাকে নিয়ে বলবেন তার সহকর্মী, কাছের বন্ধু এবং পরিবারের সদস্যরা। অনুষ্ঠানে তার প্রিয় চলচ্চিত্রের বিভিন্ন ক্লিপিংসও দেখানো হবে। রুম্মান রশীদ খানের গ্রন্থনা ও মৌসুমী মৌয়ের উপস্থাপনায় আগামীকাল শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত ৯টায় প্রচার হবে এ অনুষ্ঠান। আলমগীরের পুরো নাম মহিউদ্দিন আহমেদ আলমগীর। বাবা কলিম উদ্দিন আহম্মেদ ওরফে দুদু মিয়া ছিলেন ঢালিউডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এর অন্যতম প্রযোজক। চলচ্চিত্রে আলমগীরের অভিষেক হয় ১৯৭৩ সালে ‘আমার জন্মভূমি’ সিনেমা দিয়ে। ১৯৮৫ সালে তিনি পরিচালনা শুরু করেন। ১৯৮৫ সালে ‘মা ও ছেলে’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘরে তোলেন তিনি। ২০২৪ সালে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক’ পেয়েছেন গুণী এই অভিনেতা। শিল্পকলা (অভিনয়) শাখায় এ পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। অভিনয় ক্যারিয়ারে আলমগীর ২৫০টির বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ও শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে নয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন। এ ছাড়া ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। ২০১৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ‘আজীবন সম্মাননায়’ ভূষিত হন এ অভিনেতা। শুধু অভিনয় নয়, গানও গাইতে পারেন আলমগীর। একসময় রাজধানীর গ্রিন রোডে একটি স্কুলে সংগীতশিল্পী সৈয়দ আবদুল হাদীর কাছে গান শিখেছিলেন। কণ্ঠশিল্পী হিসেবে সিনেমাতেও গান গেয়েছেন। ‘আগুনের আলো’ সিনেমায় তিনি প্রথম কণ্ঠ দেন। এরপর ‘কার পাপে’, ‘ঝুমকা’ ও ‘নির্দোষ’ সিনেমাতেও গান গেয়েছেন। সত্তরের দশক থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি অভিনয় করেছেন অত্যন্ত প্রতাপের সঙ্গে। উপহার দিয়েছেন অসংখ্য হিট সিনেমা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘দস্যুরাণী’, ‘লাভ ইন সিমলা’, ‘মনিহার’, ‘মনের মানুষ’, ‘আগুনের আলো’, ‘সাম্পানওয়ালা’, ‘প্রতিজ্ঞা’, ‘বৌমা’, ‘ভাত দে’, ‘গরীবের বউ’, ‘পিতা-মাতা’, ‘জজ ব্যারিস্টার’, ‘স্ত্রীর মর্যাদা’সহ অনেক সিনেমা। তার প্রযোজিত প্রথম সিনেমা ‘ঝুমকা’। পরিচালক হিসেবে তার সর্বশেষ সিনেমা ‘একটি সিনেমার গল্প’।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow