অটোরিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় নাঈম হোসেন নামের এক অটোরিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে উপজেলার সোনাখাড়া ইউনিয়নের খৈচালা বিলের পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত নাঈম হোসেন (২৫) উপজেলার ধুবিল ইউনিয়নের মালতীনগর এলাকার মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে স্থানীয় লোকজন খৈচালা বিলে একটি গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান এবং রায়গঞ্জ থানার ওসি মো. আহসানুজ্জামান পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।
নিহতের পরিবার জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নাঈম অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। রাত ১০টার পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। গভীর রাত পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরদিন সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর পেয়ে তারা ভেঙে পড়েন।
রায়গঞ্জ থানার ওসি মো. আহসানুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ হাসপাতালে
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় নাঈম হোসেন নামের এক অটোরিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে উপজেলার সোনাখাড়া ইউনিয়নের খৈচালা বিলের পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত নাঈম হোসেন (২৫) উপজেলার ধুবিল ইউনিয়নের মালতীনগর এলাকার মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে স্থানীয় লোকজন খৈচালা বিলে একটি গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান এবং রায়গঞ্জ থানার ওসি মো. আহসানুজ্জামান পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।
নিহতের পরিবার জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নাঈম অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। রাত ১০টার পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। গভীর রাত পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরদিন সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর পেয়ে তারা ভেঙে পড়েন।
রায়গঞ্জ থানার ওসি মো. আহসানুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।