অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা সত্ত্বেও ইরানের সব ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো সম্ভব নয়

ইসরায়েলের আরাদ ও দিমোনা শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দেশটিতে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও সব ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো সম্ভব নয়। ইসরায়েলের বহুপদক্ষেপবিশিষ্ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত উন্নত হলেও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ভেদ করে ঢুকে পড়েছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাফল্যের হার ৯০ শতাংশের বেশি। তবে দিমোনার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হামলা সফল হওয়াকে তারা বিব্রতকর হিসেবে দেখছেন, বিশেষ করে সেখানে গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা থাকায়। এদিকে ইরানে এসব হামলাকে বড় সাফল্য হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। দেশটির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তারা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা খুঁজে পেয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় হামলার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে ইসরায়েলে এসব দাবিকে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান তাদের হামলার কৌশলে পরিবর্তন এনেছে। তারা এখন ক্লাস্টার ওয়ারহেড ব্যবহার করছে, যা বিস্ফোরণের পর ছোট ছোট বোমায় বিভক্ত হয়ে বিস্তৃত এলাকায় আঘাত হানে এবং প্রতিরোধ করা কঠিন। এছা

অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা সত্ত্বেও ইরানের সব ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো সম্ভব নয়

ইসরায়েলের আরাদ ও দিমোনা শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দেশটিতে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।

কর্তৃপক্ষের দাবি, অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও সব ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো সম্ভব নয়। ইসরায়েলের বহুপদক্ষেপবিশিষ্ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত উন্নত হলেও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ভেদ করে ঢুকে পড়েছে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাফল্যের হার ৯০ শতাংশের বেশি। তবে দিমোনার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হামলা সফল হওয়াকে তারা বিব্রতকর হিসেবে দেখছেন, বিশেষ করে সেখানে গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা থাকায়।

এদিকে ইরানে এসব হামলাকে বড় সাফল্য হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। দেশটির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তারা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা খুঁজে পেয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় হামলার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তবে ইসরায়েলে এসব দাবিকে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান তাদের হামলার কৌশলে পরিবর্তন এনেছে। তারা এখন ক্লাস্টার ওয়ারহেড ব্যবহার করছে, যা বিস্ফোরণের পর ছোট ছোট বোমায় বিভক্ত হয়ে বিস্তৃত এলাকায় আঘাত হানে এবং প্রতিরোধ করা কঠিন।

এছাড়া বড় আকারের একযোগে হামলার পরিবর্তে ইরান এখন ছোট ছোট আকারে কিন্তু ঘন ঘন হামলা চালাচ্ছে। এতে সাইরেন বাজিয়ে সাধারণ মানুষকে বারবার আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে, যা বেসামরিক জনগণের মানসিক চাপ ও নিরাপত্তাবোধ দুর্বল করার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র- আলজাজিরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow