অধ্যাদেশ জারির দাবিতে ঢাকা কলেজের সামনে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’

প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাকেবি) অধ্যাদেশ জারির দাবিতে ঢাকা কলেজের সামনে একটি অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ করেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। ‘ঢাকেবির অধ্যাদেশ মঞ্চ’ নামে ওই মঞ্চে অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি পালন করছেন ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ ও বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা কলেজের মূল ফটকের বাম পাশে একটি অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। মঞ্চের পেছনে টাঙানো বড় ব্যানারে আগামী ২২ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের সভায় চূড়ান্ত অনুমোদনের মাধ্যমে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন ২০২৫’-এর ওপর রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারির দাবি জানানো হয়েছে। শিক্ষার্থীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই সাত কলেজকে নিয়ে নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন তারা। এরই মধ্যে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ এরই মধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন বিলম্ব না করে দ্রুত অধ্যাদেশ জারি করা প্রয়োজন। সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী মো. আব্দুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা সাত কলেজকে নিয়ে একটি পূ

অধ্যাদেশ জারির দাবিতে ঢাকা কলেজের সামনে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’

প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাকেবি) অধ্যাদেশ জারির দাবিতে ঢাকা কলেজের সামনে একটি অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ করেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। ‘ঢাকেবির অধ্যাদেশ মঞ্চ’ নামে ওই মঞ্চে অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি পালন করছেন ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ ও বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা কলেজের মূল ফটকের বাম পাশে একটি অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। মঞ্চের পেছনে টাঙানো বড় ব্যানারে আগামী ২২ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের সভায় চূড়ান্ত অনুমোদনের মাধ্যমে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন ২০২৫’-এর ওপর রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারির দাবি জানানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই সাত কলেজকে নিয়ে নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন তারা। এরই মধ্যে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ এরই মধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন বিলম্ব না করে দ্রুত অধ্যাদেশ জারি করা প্রয়োজন।

সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী মো. আব্দুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা সাত কলেজকে নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিতে কাজ করছি। অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে অবশেষে অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত হয়েছে। এখন আর সময়ক্ষেপণের সুযোগ নেই। দ্রুত অধ্যাদেশ জারি করে শিক্ষার্থীদের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ, একাডেমিক কাঠামো ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার স্বার্থেই সরকারের উচিত দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলবে বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে, এরই মধ্যে শিক্ষার্থীরা সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির চূড়ান্ত অধ্যাদেশের দাবিতে আগামী ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত ধারাবাহিক কর্মসূচিও ঘোষণা করেছেন। সে অনুযায়ী আজ শুরু হওয়া ভ্রাম্যমাণ ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত সাত কলেজের প্রতিটি ক্যাম্পাসে পর্যায়ক্রমে ভ্রমণ করবে। আর এই মঞ্চ থেকে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশবরেণ্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। পাশাপাশি দেশবাসীর কাছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির যৌক্তিকতা তুলে ধরা হবে।

এরপর আগামী বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ ও ক্যাম্পাসভিত্তিক অধ্যাদেশ মঞ্চ নিয়ে শিক্ষার্থীরা সাইন্সল্যাব মোড়ে এসে জমায়েত হবেন। যদি ওইদিন অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অধ্যাদেশের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয় এবং গেজেটে প্রকাশিত হয়, তাহলে রাজধানীর সায়েন্সল্যাবের গণজমায়েত থেকে রাষ্ট্র ও দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে একটি বৃহৎ বিজয় মিছিল আয়োজন করা হবে। তবে কোনো কারণে যদি অধ্যাদেশের অনুমোদন বা গেজেট প্রকাশে ব্যত্যয় ঘটলে ওই গণজমায়েত থেকেই যমুনা অথবা সচিবালয়ের উদ্দেশে বৃহৎ পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করা হবে।

প্রসঙ্গত, রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে একীভূত করে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ নামে একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে অধ্যাদেশের খসড়া ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এনএস/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow