অবৈধ পথে স্পেনে প্রবেশ চেষ্টা, ২০২৫ সালে নিহত ৩ হাজারের বেশি

নিরাপত্তা আর আধুনিক জীবনের আশায় অবৈধ পথে স্পেনে প্রবেশ করতে গিয়ে ২০২৫ সালে অন্তত তিন হাজার ৯০ জন অভিবাসন প্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৪৩৭ শিশু এবং ১৯২ নারী জন নারী অন্তর্ভুক্ত। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) এসব তথ্য প্রকাশ করেছে স্পেনের অভিবাসী অধিকার সংস্থা কমিনান্ডো ফ্রন্টিয়ারাস। সংস্থার প্রকাশিত তথ্যে মতে, এসব মৃত্যুর বেশির ভাগই ঘটেছে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে আফ্রিকার থেকে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার রুটে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক রুটগুলোর মধ্যে একটি। যদিও ক্যানারিতে অভিবাসী আগমন আগের বছরের তুলনায় কিছুটা হ্রাস পেলেও গিনি থেকে যাত্রা করা আরেকটি বিপজ্জনক একটি রুট আবিষ্কৃত হয়েছে। স্পেনের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৫ হাজার ৯৩৫ অভিবাসী স্পেনে পৌঁছেছে যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০ শতাংশ কম। এই অভিবাসীদের প্রায় অর্ধেকই পশ্চিম আফ্রিকার উপকূল থেকে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের আটলান্টিক রুট ব্যবহার করেছে। কমিনান্ডো ফ্রন্টিয়ারাস জানিয়েছে, আলজেরিয়া থেকে স্পেনের ইবিজা ও ফোরমেন্টেরা দ্বীপে যাওয়ার নৌরুট ব্যবহার করে অভিবাসীর সংখ্যা বাড়ছে। সাধারণত এই রুটটি আলজেরীয়

অবৈধ পথে স্পেনে প্রবেশ চেষ্টা, ২০২৫ সালে নিহত ৩ হাজারের বেশি

নিরাপত্তা আর আধুনিক জীবনের আশায় অবৈধ পথে স্পেনে প্রবেশ করতে গিয়ে ২০২৫ সালে অন্তত তিন হাজার ৯০ জন অভিবাসন প্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৪৩৭ শিশু এবং ১৯২ নারী জন নারী অন্তর্ভুক্ত।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) এসব তথ্য প্রকাশ করেছে স্পেনের অভিবাসী অধিকার সংস্থা কমিনান্ডো ফ্রন্টিয়ারাস।

সংস্থার প্রকাশিত তথ্যে মতে, এসব মৃত্যুর বেশির ভাগই ঘটেছে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে আফ্রিকার থেকে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার রুটে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক রুটগুলোর মধ্যে একটি। যদিও ক্যানারিতে অভিবাসী আগমন আগের বছরের তুলনায় কিছুটা হ্রাস পেলেও গিনি থেকে যাত্রা করা আরেকটি বিপজ্জনক একটি রুট আবিষ্কৃত হয়েছে।

স্পেনের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৫ হাজার ৯৩৫ অভিবাসী স্পেনে পৌঁছেছে যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০ শতাংশ কম। এই অভিবাসীদের প্রায় অর্ধেকই পশ্চিম আফ্রিকার উপকূল থেকে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের আটলান্টিক রুট ব্যবহার করেছে।

কমিনান্ডো ফ্রন্টিয়ারাস জানিয়েছে, আলজেরিয়া থেকে স্পেনের ইবিজা ও ফোরমেন্টেরা দ্বীপে যাওয়ার নৌরুট ব্যবহার করে অভিবাসীর সংখ্যা বাড়ছে। সাধারণত এই রুটটি আলজেরীয়দের জন্য ব্যবহৃত হতো, কিন্তু ২০২৫ সালে সোমালিয়া, সুদান ও দক্ষিণ সুদানের অভিবাসীরাও এই পথে ভ্রমণ করছে।

এই রুটে ২০২৫ সালে মৃত্যুর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে এক হাজার ৩৭ ছাড়িয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালে সমুদ্রপথে স্পেনে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে গিয়ে কমপক্ষে ১০ হাজার ৪৫৭ অভিবাসী নিহত বা নিখোঁজ হয়েছিল।

সূত্র : এএফপি

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow