অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
দেশের ছয়টি বিভাগে ৩২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ছয়টি শিশু হাসপাতাল ভবন অব্যবহৃত পড়ে থাকা সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। এরই প্রেক্ষিতে অব্যবহৃত পড়ে থাকা ছয়টি হাসপাতাল চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রোববার (১০ মে) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে তিনি হাসপাতালগুলো চালুর নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়৷ অব্যবহৃত পড়ে থাকা হাসপাতালগুলো হল- রাজশাহী শিশু হাসপাতাল, খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল, রংপুর শিশু হাসপাতাল, বরিশাল শিশু হাসপাতাল, কুমিল্লা শিশু হাসপাতাল ও সিলেট জেলা হাসপাতাল। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, এসব অব্যবহৃত হাসপাতাল পরিদর্শন করে দ্রুত চালুর ব্যবস্থা করতে মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ২ জুনের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও অগ্রগতির বিষয়ে সার্বিক প্রতিবেদন দিতে বলেছেন। রংপুর, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট ও কুমিল্লায় ৩২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আধুনিক ছয়টি হাসপাতাল ভবন নির্মাণ হলেও বছরের পর বছর তা অব্যবহৃত পড়ে আছে বলে সম্প্রতি প্রথম আলোতে একটি প্রত
দেশের ছয়টি বিভাগে ৩২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ছয়টি শিশু হাসপাতাল ভবন অব্যবহৃত পড়ে থাকা সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। এরই প্রেক্ষিতে অব্যবহৃত পড়ে থাকা ছয়টি হাসপাতাল চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
রোববার (১০ মে) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে তিনি হাসপাতালগুলো চালুর নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়৷
অব্যবহৃত পড়ে থাকা হাসপাতালগুলো হল- রাজশাহী শিশু হাসপাতাল, খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল, রংপুর শিশু হাসপাতাল, বরিশাল শিশু হাসপাতাল, কুমিল্লা শিশু হাসপাতাল ও সিলেট জেলা হাসপাতাল।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, এসব অব্যবহৃত হাসপাতাল পরিদর্শন করে দ্রুত চালুর ব্যবস্থা করতে মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ২ জুনের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও অগ্রগতির বিষয়ে সার্বিক প্রতিবেদন দিতে বলেছেন।
রংপুর, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট ও কুমিল্লায় ৩২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আধুনিক ছয়টি হাসপাতাল ভবন নির্মাণ হলেও বছরের পর বছর তা অব্যবহৃত পড়ে আছে বলে সম্প্রতি প্রথম আলোতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বলছে, এ প্রতিবেদন আমলে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এগুলোর চালুর পদক্ষেপ নেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এদিনের বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।
বৈঠকের আলোচনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বলছে, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি আংশিক চালু রয়েছে। এক্ষেত্রে ৫০০ শয্যার এ হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি রাজধানীল শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালসহ বাকি হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুর নির্দেশ দেন।
অপরদিকে নীলফামারীতে ১ হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চীনা দূতাবাসকে সম্পৃক্ত করে দ্রুত কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বলছে, মৈত্রী হাসপাতালটি সদর উপজেলায় নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ‘প্রতিটি জেলায় আধুনিক 'সেকেন্ডারি স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট প্রতিষ্ঠা’ এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, এ হাসপাতাল চালু হলে তা রংপুরের আঞ্চলিক রেফারেল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।
What's Your Reaction?