নিজের ফাঁদে নিজেই পড়তে যাচ্ছেন ইউপি সদস্য

চাল আত্মসাতের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে আদালতে মামলার মুখে পড়েছেন কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছৈয়দ হামজা। মানহানি ও হয়রানির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের দাবিতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক রিদুয়ানুল হক সোহাগ। রোববার (১০ মে) উখিয়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক গিয়াস উদ্দিন মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় সরকারের ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম ও চাল আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে একটি তথ্যবহুল প্রতিবেদন প্রকাশ করেন সাংবাদিক রিদুয়ানুল হক সোহাগসহ চার সংবাদকর্মী। সেই প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই ক্ষুব্ধ হয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা ঠোকেন রাজাপালং ইউপি সদস্য ছৈয়দ হামজা। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় আদালত সেই মামলা খারিজ করে দেন। মামলার বাদী সাংবাদিক রিদুয়ানুল হক সোহাগ বলেন, 'সত্য সংবাদ প্রকাশ করায় আমাকে সহ চার সহকর্মীর বিরুদ্ধে ছৈয়দ হামজা মিথ্যা মামলা দিয়েছিলেন। আদালত সেই মামলা খারিজ করলেও এই ঘটনায় আমরা সামাজিক ও

নিজের ফাঁদে নিজেই পড়তে যাচ্ছেন ইউপি সদস্য

চাল আত্মসাতের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে আদালতে মামলার মুখে পড়েছেন কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছৈয়দ হামজা। মানহানি ও হয়রানির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের দাবিতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক রিদুয়ানুল হক সোহাগ।

রোববার (১০ মে) উখিয়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক গিয়াস উদ্দিন মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় সরকারের ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম ও চাল আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে একটি তথ্যবহুল প্রতিবেদন প্রকাশ করেন সাংবাদিক রিদুয়ানুল হক সোহাগসহ চার সংবাদকর্মী। সেই প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই ক্ষুব্ধ হয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা ঠোকেন রাজাপালং ইউপি সদস্য ছৈয়দ হামজা। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় আদালত সেই মামলা খারিজ করে দেন।

মামলার বাদী সাংবাদিক রিদুয়ানুল হক সোহাগ বলেন, 'সত্য সংবাদ প্রকাশ করায় আমাকে সহ চার সহকর্মীর বিরুদ্ধে ছৈয়দ হামজা মিথ্যা মামলা দিয়েছিলেন। আদালত সেই মামলা খারিজ করলেও এই ঘটনায় আমরা সামাজিক ও পেশাগতভাবে মানহানির শিকার হয়েছি। ন্যায়বিচার পেতেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।'

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাছির উদ্দীন বলেন, 'আদালত মামলাটি গ্রহণ করে দাখিলকৃত নথি বিশ্লেষণের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা আশাবাদী, আমার মক্কেল এই মামলায় ন্যায়বিচার পাবেন।'

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আদালত পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে ছৈয়দ হামজাকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow