অভিনয় ছেড়ে দুবাইয়ে ব্যবসায় মজেছেন অভিনেত্রী

একসময় অভিনয় ও সৌন্দর্য দিয়ে তুমুল দর্শকপ্রিয় হয়ে ওঠেন বলিউডি অভিনেত্রী রিমি সেন। ক্যারিয়ার তুঙ্গে থাকা অবস্থাতেই অভিনয়ে অনিয়মিত হয়ে ওঠেন। হারিয়ে যান সিনেপর্দা থেকে। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও আলোচনায় ফিরেছেন এই অভিনেত্রী। তবে স্ক্রিনে নয়; অন্য এক পরিচয়ে। অভিনয় ছেড়ে এখন তিনি পুরোপুরি রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী। এই পেশায় তাকে নতুন পরিচয়ে শিরোনামে তুলে এনেছে।  ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবর, ২০১৫ সালে রিমি সেন রিয়েলিটি টেলিভিশন শো বিগ বস-এও অংশগ্রহণ করেছিলেন। এরপর বিনোদন জগৎ ছেড়ে দেন। তিনি বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক শহর দুবাইতে ব্যবসা করছেন। সেখানে একজন রিয়েল এস্টেট এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে রিমি সেন সেই কথাই জানালেন। বললেন, দুবাইয়ের পরিবেশ অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য ও ব্যবসাবান্ধব, যা তাকে এই কঠিন প্রতিযোগিতামূলক রিয়েল এস্টেট বাজারে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে। দুই বছর আগে ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত কিছু ছবির কারণে রিমি সেনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই তার চেহারার পরিবর্তন দেখে প্লাস্টিক সার্জারির গুঞ্জনও ছড়ান। হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া

অভিনয় ছেড়ে দুবাইয়ে ব্যবসায় মজেছেন অভিনেত্রী
একসময় অভিনয় ও সৌন্দর্য দিয়ে তুমুল দর্শকপ্রিয় হয়ে ওঠেন বলিউডি অভিনেত্রী রিমি সেন। ক্যারিয়ার তুঙ্গে থাকা অবস্থাতেই অভিনয়ে অনিয়মিত হয়ে ওঠেন। হারিয়ে যান সিনেপর্দা থেকে। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও আলোচনায় ফিরেছেন এই অভিনেত্রী। তবে স্ক্রিনে নয়; অন্য এক পরিচয়ে। অভিনয় ছেড়ে এখন তিনি পুরোপুরি রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী। এই পেশায় তাকে নতুন পরিচয়ে শিরোনামে তুলে এনেছে।  ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবর, ২০১৫ সালে রিমি সেন রিয়েলিটি টেলিভিশন শো বিগ বস-এও অংশগ্রহণ করেছিলেন। এরপর বিনোদন জগৎ ছেড়ে দেন। তিনি বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক শহর দুবাইতে ব্যবসা করছেন। সেখানে একজন রিয়েল এস্টেট এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে রিমি সেন সেই কথাই জানালেন। বললেন, দুবাইয়ের পরিবেশ অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য ও ব্যবসাবান্ধব, যা তাকে এই কঠিন প্রতিযোগিতামূলক রিয়েল এস্টেট বাজারে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে। দুই বছর আগে ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত কিছু ছবির কারণে রিমি সেনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই তার চেহারার পরিবর্তন দেখে প্লাস্টিক সার্জারির গুঞ্জনও ছড়ান। হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিমি বলেন, ‘মানুষ যদি মনে করে আমি প্লাস্টিক সার্জারি করেছি এবং সেটা ভালোভাবে নেয়, তাহলে সেটা আমার জন্যই ভালো। প্লাস্টিক সার্জারি ছাড়াই মানুষ তো আমাকে নিয়ে কথা বলছেন। আমি শুধু ফিলার, বোটক্স আর পিআরপি ট্রিটমেন্ট নিয়েছি― এর বাইরে কিছুই না।’ সমালোচকদের উদ্দেশে রিমি সেন বলেন, ‘হয়তো সাম্প্রতিক ছবিতে  আমার ত্বক ভালো দেখাচ্ছিল। এসব ট্রিটমেন্ট আর শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাপনের মাধ্যমে যে কাউকে ভালো দেখাতে পারে। যদি কারও মনে হয় এটা খারাপ হয়েছে, তাহলে তারা বলুক কীভাবে ঠিক করা যায়― আমি আমার ডাক্তারদের সেটা জানাব।’  বলিউড পর্দা কাঁপালেও রিমি সেন মূলত বাঙালি অভিনেত্রী। তিনি একজন প্রযোজকও বটে। হিন্দি, তেলেগু এবং বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয়ে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন। ২০০২ সালে তেলেগু চলচ্চিত্র ‘নি থোডু কাভালি’-তে প্রধান অভিনেত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০০৩ সালে তিনি কমেডি চলচ্চিত্র ‘হাঙ্গামা’র তিনি সেরা নারী অভিষেকের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে মনোনীত হন। পরে তিনি ‘বাঘবান’ (২০০৩), ‘ধুম’ (২০০৪), ‘গরম মসলা’ (২০০৫), ‘কিওঁ কি’ (২০০৫) , ‘দিওয়ানে হুয়ে পাগল’ (২০০৫) , ‘ফির হেরা ফেরি’ (২০০৬) এবং ‘গোলমাল : ফান আনলিমিটেড’ (২০০৬)-সহ বেশ কয়েকটি সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন রিমি সেন।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow