অভিষেক ম্যাচেই ৪৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ভারতীয় ক্রিকেটার
আফগানিস্তানের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টেই দুর্দান্ত বোলিংয়ে ইতিহাস গড়েছেন ভারতের বাঁহাতি স্পিনার মানভ সুথার। এক ইনিংসে ৩৩ রানে ৬ উইকেট নিয়ে তিনি ভেঙে দিয়েছেন ৪৭ বছর ধরে অটুট থাকা একটি ভারতীয় রেকর্ড।
নিউ চণ্ডীগড়ের মুলানপুরে অনুষ্ঠিত একমাত্র টেস্টে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারত ৮ উইকেটে ৫৬৪ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। দলের হয়ে সেঞ্চুরি করেন লোকেশ রাহুল ও শুভমান গিল। এছাড়া ঋষভ পান্ত ও সাই সুদর্শন ৮১ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ভারতীয় বোলারদের চাপে পড়ে আফগানিস্তান। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১৫২ রানেই অলআউট হয় সফরকারীরা।
দ্রুতগতির বোলার প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ তিনটি উইকেট নিলেও বোলিং আক্রমণের মূল নায়ক ছিলেন অভিষিক্ত মানভ সুথার। বাঁহাতি এই স্পিনার অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ ও ধারাবাহিকতা দেখিয়ে আফগান ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান।
তিনি আবদুল মালিক, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, আফসার জাজাই, শরাফউদ্দিন আশরাফ, রহমত শাহ ও মোহাম্মদ সালিম সাফিকে আউট করে ৩৩ রানে ৬ উইকেট শিকার করেন।
এর মাধ্যমে তিনি ভারতের হয়ে অভিষেক টেস্টে কোনো বাঁহাতি স্পিনারের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড গড়ে তোলে
আফগানিস্তানের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টেই দুর্দান্ত বোলিংয়ে ইতিহাস গড়েছেন ভারতের বাঁহাতি স্পিনার মানভ সুথার। এক ইনিংসে ৩৩ রানে ৬ উইকেট নিয়ে তিনি ভেঙে দিয়েছেন ৪৭ বছর ধরে অটুট থাকা একটি ভারতীয় রেকর্ড।
নিউ চণ্ডীগড়ের মুলানপুরে অনুষ্ঠিত একমাত্র টেস্টে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারত ৮ উইকেটে ৫৬৪ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। দলের হয়ে সেঞ্চুরি করেন লোকেশ রাহুল ও শুভমান গিল। এছাড়া ঋষভ পান্ত ও সাই সুদর্শন ৮১ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ভারতীয় বোলারদের চাপে পড়ে আফগানিস্তান। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১৫২ রানেই অলআউট হয় সফরকারীরা।
দ্রুতগতির বোলার প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ তিনটি উইকেট নিলেও বোলিং আক্রমণের মূল নায়ক ছিলেন অভিষিক্ত মানভ সুথার। বাঁহাতি এই স্পিনার অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ ও ধারাবাহিকতা দেখিয়ে আফগান ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান।
তিনি আবদুল মালিক, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, আফসার জাজাই, শরাফউদ্দিন আশরাফ, রহমত শাহ ও মোহাম্মদ সালিম সাফিকে আউট করে ৩৩ রানে ৬ উইকেট শিকার করেন।
এর মাধ্যমে তিনি ভারতের হয়ে অভিষেক টেস্টে কোনো বাঁহাতি স্পিনারের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড গড়ে তোলেন। এতদিন এই কীর্তির মালিক ছিলেন সাবেক স্পিনার দিলীপ দোশি। ১৯৭৯ সালে চেন্নাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজের প্রথম টেস্টে তিনি ১০৩ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন।
ভারতের হয়ে অভিষেক টেস্টে বাঁহাতি স্পিনারদের সেরা বোলিংয়ের তালিকায় এখন শীর্ষে রয়েছেন মানভ সুথার। তার পরেই আছেন দিলীপ দোশি। তালিকার অন্যদের মধ্যে রয়েছেন অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব ও রবি শাস্ত্রী।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ভারতের ইতিহাসে অভিষেক টেস্টে ছয় উইকেট নেওয়া বাঁহাতি স্পিনারের সংখ্যা এখন মাত্র দুজন দিলীপ দোশি ও মানভ সুথার।
বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও সম্ভাবনার ঝলক দেখিয়েছেন সুথার। আট নম্বরে নেমে ৪১ বলে ২৮ রান করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কার মার।
অভিষেক ম্যাচে অলরাউন্ড নৈপুণ্য দেখানো এই তরুণকে অনেকেই ভবিষ্যতে ভারতের টেস্ট দলে রবীন্দ্র জাদেজার দীর্ঘমেয়াদি উত্তরসূরি হিসেবে দেখছেন। তার পারফরম্যান্স ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন এক সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছে।