অমুক্তিযোদ্ধাদের শনাক্তে কাজ করছে বিশেষজ্ঞ কমিটি: সংসদে প্রধানমন্ত্রী
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের একটি নির্ভুল এবং গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়নে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে অমুক্তিযোদ্ধাদের শনাক্ত করে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পিরোজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিন দুলালের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। সম্পূরক প্রশ্নে রুহুল আমিন দুলাল অভিযোগ করে বলেন, বিগত সরকারের সময়ে অনেক রাজনৈতিক কর্মীকে ‘মুক্তিযোদ্ধা’ সাজিয়ে গেজেটভুক্ত করা হয়েছে, যারা বর্তমানে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। তিনি এসব অমুক্তিযোদ্ধাকে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ছাঁটাই করার জন্য সংসদ সদস্যদের উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। আরও পড়ুন সংসদে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী / জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পাওয়াদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ স্বাধীনের পর সঠিক তালিকা প্রণয়নে যাদের দায়িত্ব ছিল, তার
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের একটি নির্ভুল এবং গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়নে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে অমুক্তিযোদ্ধাদের শনাক্ত করে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পিরোজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিন দুলালের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
সম্পূরক প্রশ্নে রুহুল আমিন দুলাল অভিযোগ করে বলেন, বিগত সরকারের সময়ে অনেক রাজনৈতিক কর্মীকে ‘মুক্তিযোদ্ধা’ সাজিয়ে গেজেটভুক্ত করা হয়েছে, যারা বর্তমানে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। তিনি এসব অমুক্তিযোদ্ধাকে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ছাঁটাই করার জন্য সংসদ সদস্যদের উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন।

সংসদে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী / জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পাওয়াদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ স্বাধীনের পর সঠিক তালিকা প্রণয়নে যাদের দায়িত্ব ছিল, তারা সেটিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছে। তারা নিরপেক্ষভাবে কাজটি করেনি। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে। তারা সঠিক শহীদ ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে।
এসময় কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম প্রশ্ন তোলেন, স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরেও কেন জাতি একটি নির্ভুল তালিকা পাচ্ছে না? কেন সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তালিকার পরিবর্তন ঘটে? তিনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি স্থায়ী তালিকা প্রকাশের পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চান।
উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে দলীয়করণের মাধ্যমে যে তালিকা করা হয়েছে, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য হলো একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য তালিকা জাতির সামনে তুলে ধরা। যেখানে কোনো অমুক্তিযোদ্ধার স্থান হবে না। যেখানে প্রকৃত শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধারা যথাযোগ্য মর্যাদা পাবেন।
তিনি জানান, বর্তমান সরকার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে যাচাই-বাছাই ও বিশেষজ্ঞ কমিটির কাজ চলমান।
এমওএস/এমকেআর
What's Your Reaction?