অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও বাড়ছে ফিফা বিশ্বকাপের প্রাইজমানি

বেশিদিন আর বাকি নেই ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের। প্রতিনিয়তই সেই বিশ্বকাপকে সামনে রেখে কোনো না কোনো খবর বের হচ্ছে। যা তৈরি করছে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ফুটবলভক্তরা। ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে অর্থনৈতিক মন্দার মাঝেও অর্থ পুরস্কার বাড়ানোর কথা ভাবছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। অর্থ পুরস্কার বাড়ানোর ব্যাপারে বেশ কিছুদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছিল বেশ কয়েকটি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। আগামীকাল ভ্যানকুভারে অনুষ্ঠিত হবে ফিফা কাউন্সিল। জানা গেছে, সেখানে এক সভায় এই পরিকল্পনা অনুমোদিত হবে। ফিফার এক মুখপ্রাত্র বার্তা সংস্থা প্রেস অ্যাসোসিয়েশনকে বলেন, ‘২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা সব দলের আর্থিক অনুদান এবং ২১১ সদস্য দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের জন্য উন্নয়ন তহবিল বাড়ানোর প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’ ফিফা ১৩ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপসহ চার বছরের চক্রে। বাংলাদেশি টাকায় যা কিনা ১ লাখ ৫৯ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা। এর অধিকাংশ অর্থই আয় হবে ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে। যার পরিমাণ ৯ বিলিয়ন ডলার (১ লাখ ১০ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা)। প্রেস অ্যাসোসিয়েশনকে ফিফার এক মুখপাত্র বলেন, ‘২০২৬

অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও বাড়ছে ফিফা বিশ্বকাপের প্রাইজমানি

বেশিদিন আর বাকি নেই ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের। প্রতিনিয়তই সেই বিশ্বকাপকে সামনে রেখে কোনো না কোনো খবর বের হচ্ছে। যা তৈরি করছে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ফুটবলভক্তরা।

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে অর্থনৈতিক মন্দার মাঝেও অর্থ পুরস্কার বাড়ানোর কথা ভাবছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

অর্থ পুরস্কার বাড়ানোর ব্যাপারে বেশ কিছুদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছিল বেশ কয়েকটি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। আগামীকাল ভ্যানকুভারে অনুষ্ঠিত হবে ফিফা কাউন্সিল। জানা গেছে, সেখানে এক সভায় এই পরিকল্পনা অনুমোদিত হবে। ফিফার এক মুখপ্রাত্র বার্তা সংস্থা প্রেস অ্যাসোসিয়েশনকে বলেন, ‘২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা সব দলের আর্থিক অনুদান এবং ২১১ সদস্য দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের জন্য উন্নয়ন তহবিল বাড়ানোর প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’

ফিফা ১৩ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপসহ চার বছরের চক্রে। বাংলাদেশি টাকায় যা কিনা ১ লাখ ৫৯ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা। এর অধিকাংশ অর্থই আয় হবে ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে। যার পরিমাণ ৯ বিলিয়ন ডলার (১ লাখ ১০ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা)। প্রেস অ্যাসোসিয়েশনকে ফিফার এক মুখপাত্র বলেন, ‘২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ পুরো বিশ্ব ফুটবলের জন্য যুগান্তকারী হতে যাচ্ছে। ফিফা ফরওয়ার্ড প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী আর্থিক অবস্থানে থাকতে পেরে গর্বিত। আলোচনা সাপেক্ষে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।’

ফিফা রেকর্ড ৭২৭ মিলিয়ন ডলারের অর্থ পুরস্কার ঘোষণা করেছিল গত বছরের ডিসেম্বরে। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৮৯০৬ কোটি টাকা। যেখানে ৪৮টি অংশগ্রহণকারী দলের প্রত্যেকে কমপক্ষে ১ কোটি ৫ লাখ ডলার (১২৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা) এবং চ্যাম্পিয়ন দলের ৫ কোটি ডলার (৬১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা) পাওয়ার কথা ছিল।

ফিফার প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিশ্বকাপে প্রতিটি ধাপ পেরোলে আর্থিক পুরস্কার ধাপে ধাপে বাড়লেও সেই বৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে সীমিত। শেষ ৩২-এ উঠলে দলগুলো পাবে অতিরিক্ত ২০ লাখ ডলার, শেষ ১৬ নিশ্চিত করলে আরও ৪০ লাখ ডলার এবং কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছালে মিলবে অতিরিক্ত ৮০ লাখ ডলার।

তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রেস অ্যাসোসিয়েশন এবং দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে উঠে আসে, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপকে ঘিরে কিছু ইউরোপীয় দল আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছে। কারণ, এই আসরের ব্যয় সবশেষ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে পুরস্কারের অর্থ বাড়ানোর দিকেই ঝুঁকছে ফিফা, যদিও চূড়ান্ত ঘোষণা শিগগিরই আসার কথা।

আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬। এবারই প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেবে এই আসরে। ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি শহর, মেক্সিকোর ৩টি এবং কানাডার ২টি শহরে।

বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবার মাঠে নামবে শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে, যেখানে নতুন ফরম্যাটে আরও বড় প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে দলগুলোকে।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow