অস্ত্র গায়েবের মামলায় সাবেক এসআইয়ের ৫ বছর কারাদণ্ড

প্রায় তিন দশক আগে উদ্ধার করা একটি অস্ত্র গায়েবের মামলায় চট্টগ্রামে পুলিশের এক সাবেক কর্মকর্তাকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোববার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত দেলোয়ার হোসেন নগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। এ ঘটনায় তিনি আগেই চাকরিচ্যুত হন। মামলার সময় তিনি পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেছেন বলে জানান দুদকের আইনজীবী জাহিদুল করিম। আদালত সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৬ সালের ২৫ নভেম্বর ডবলমুরিং থানার এসআই কামাল পাশা এক আসামির কাছ থেকে একটি এলজি উদ্ধার করেন। পরে সেটি গোয়েন্দা শাখার মালখানায় দায়িত্বরত এসআই দেলোয়ার হোসেনের কাছে জমা দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, দেলোয়ার হোসেন অস্ত্রটি আদালতে জমা না দিয়ে দপ্তরে ভুয়া স্মারক দেন। পরে তা যাচাই করে ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়। এ ঘটনায় তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো ২০০৪ সালের ২৬ মে কোতোয়ালি থানায় মামলা করে। ২০০৬ সালে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ৫ জুলাই অভিযোগ গঠনের পর বিচার শুরু হয়

অস্ত্র গায়েবের মামলায় সাবেক এসআইয়ের ৫ বছর কারাদণ্ড

প্রায় তিন দশক আগে উদ্ধার করা একটি অস্ত্র গায়েবের মামলায় চট্টগ্রামে পুলিশের এক সাবেক কর্মকর্তাকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত দেলোয়ার হোসেন নগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। এ ঘটনায় তিনি আগেই চাকরিচ্যুত হন। মামলার সময় তিনি পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেছেন বলে জানান দুদকের আইনজীবী জাহিদুল করিম।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৬ সালের ২৫ নভেম্বর ডবলমুরিং থানার এসআই কামাল পাশা এক আসামির কাছ থেকে একটি এলজি উদ্ধার করেন। পরে সেটি গোয়েন্দা শাখার মালখানায় দায়িত্বরত এসআই দেলোয়ার হোসেনের কাছে জমা দেওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে, দেলোয়ার হোসেন অস্ত্রটি আদালতে জমা না দিয়ে দপ্তরে ভুয়া স্মারক দেন। পরে তা যাচাই করে ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়।

এ ঘটনায় তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো ২০০৪ সালের ২৬ মে কোতোয়ালি থানায় মামলা করে। ২০০৬ সালে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ৫ জুলাই অভিযোগ গঠনের পর বিচার শুরু হয়। ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।

এমআরএএইচ/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow