আইনজীবীদের আদালত বর্জন
যশোরের ৩টি আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আইনজীবীরা। জেলা আইনজীবী সমিতির জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) থেকে আদালত বর্জন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আইনজীবীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারক না থাকায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন একাধিক বিচারক। যশোরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ নাজমুল আলম গত বছরের ২৮ আগস্ট বদলি হন। তিন মাস পর ৫ নভেম্বর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে মোহাম্মদ আলী যোগদান করেন। তবে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি মোহাম্মদ আলীরও বদলি হলে জেলা ও দায়রা জজ পদটি শূন্য হয়ে পড়ে। এরপর থেকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজদের মাধ্যমে জেলা জজ আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক এম এম মোর্শেদ বেশ কিছু দিন ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) তাকে ঢাকায় বদলি করা হয়। এরপর রোববার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক আইরিন পারভীনকে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ক্ষ
যশোরের ৩টি আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আইনজীবীরা। জেলা আইনজীবী সমিতির জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) থেকে আদালত বর্জন কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
আইনজীবীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারক না থাকায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন একাধিক বিচারক। যশোরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ নাজমুল আলম গত বছরের ২৮ আগস্ট বদলি হন। তিন মাস পর ৫ নভেম্বর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে মোহাম্মদ আলী যোগদান করেন। তবে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি মোহাম্মদ আলীরও বদলি হলে জেলা ও দায়রা জজ পদটি শূন্য হয়ে পড়ে। এরপর থেকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজদের মাধ্যমে জেলা জজ আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল।
অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক এম এম মোর্শেদ বেশ কিছু দিন ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) তাকে ঢাকায় বদলি করা হয়। এরপর রোববার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক আইরিন পারভীনকে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করছেন আইনজীবীরা।
আইনজীবীদের দাবি, দীর্ঘ আলোচনার পরও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।
বুধবার জেলা আইনজীবী সমিতির জরুরি সভায় আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন আইনজীবীরা। সভায় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুরের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি এম ইদ্রিস আলী, শরীফ নুর মোহাম্মদ আলী রেজা, কাজী ফরিদুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলম বাচ্চু, সিনিয়র আইনজীবী জাফর সাদিক, মঈনুল হক খান ময়না, সাবেক জিপি সোহেল শামীম।
What's Your Reaction?