আজ জন্মস্থান মাশহাদে খামেনির দাফন

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই)। জন্মস্থান ইরানের মাশহাদ শহরে শিয়া মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র স্থান ইমাম রেজার সমাধির পাশে তাকে সমাহিত করা হবে। গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া শোকানুষ্ঠানের প্রথম তিন দিন মাধারণ জনগণের জন্য খামেনির মরদেহ রাখা হয় তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে। এরপর নেওয়া হয় কোম শহরে। সেখান থেকে বিমানে করে ইরাকে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে নাজাফ ও কারবালায় হাজার হাজার মানুষ তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। নাজাফে আয়োজিত শোকযাত্রায় উপস্থিত ছিল লাখ লাখ মানুষ। নাজাফের শোকযাত্রা শেষে আলী খামেনিকে নেয়া হয় হজরত আলী (রা.)–এর সমাধি প্রাঙ্গণে, যেখানে ধর্মীয় নেতারা জানাজায় অংশ নেন। পরে মরদেহ  নিয়ে যাওয়া হয় কারবালায়। সেখানে জানাজা শেষ করে আবারও ইরানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে আলী খামেনিকে।  চার মাস আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় পরিবারের চার সদস্যসহ নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এতদিন তার দাফন স্থগিত রাখা হয়েছিল। পরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর দাফনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা

আজ জন্মস্থান মাশহাদে খামেনির দাফন

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই)। জন্মস্থান ইরানের মাশহাদ শহরে শিয়া মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র স্থান ইমাম রেজার সমাধির পাশে তাকে সমাহিত করা হবে।

গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া শোকানুষ্ঠানের প্রথম তিন দিন মাধারণ জনগণের জন্য খামেনির মরদেহ রাখা হয় তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে। এরপর নেওয়া হয় কোম শহরে। সেখান থেকে বিমানে করে ইরাকে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে নাজাফ ও কারবালায় হাজার হাজার মানুষ তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

নাজাফে আয়োজিত শোকযাত্রায় উপস্থিত ছিল লাখ লাখ মানুষ। নাজাফের শোকযাত্রা শেষে আলী খামেনিকে নেয়া হয় হজরত আলী (রা.)–এর সমাধি প্রাঙ্গণে, যেখানে ধর্মীয় নেতারা জানাজায় অংশ নেন। পরে মরদেহ  নিয়ে যাওয়া হয় কারবালায়। সেখানে জানাজা শেষ করে আবারও ইরানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে আলী খামেনিকে। 

চার মাস আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় পরিবারের চার সদস্যসহ নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এতদিন তার দাফন স্থগিত রাখা হয়েছিল। পরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর দাফনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow