আজ বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস
আজ ২৩ এপ্রিল, বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দিবসটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, যার সূচনা হয়েছিল স্পেনের লেখক ভিসেন্ত ক্লাভেল আন্দ্রেসের হাত ধরে। তিনি তার প্রিয় লেখক এবং স্প্যানিশ সাহিত্যের প্রবাদপুরুষ মিগেল দে থের্ভান্তেসের প্রয়াণ দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৯২৩ সাল থেকে স্পেনে এই প্রথা শুরু করেন। তার উদ্যোগেই ১৯২৬ সালে স্পেনে প্রথমবারের মতো ‘বই দিবস’ পালিত হয়েছিল। পরবর্তীতে ইউনেস্কো ১৯৯৫ সালে প্রথম এই দিবসটি পালনের ঘোষণা দেয়। দিনটি নির্ধারণের পেছনে একটি বিশেষ কারণ রয়েছে—২৩ এপ্রিল হলো বিশ্বসাহিত্যের তিন দিকপাল উইলিয়াম শেক্সপিয়র, মিগুয়েল ডি সার্ভান্তেস এবং ইনকা গার্সিলাসো ডি লা ভেগা-এর মৃত্যুবার্ষিকী। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে প্রতি বছর ইউনেস্কো একটি শহরকে ‘ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল’ হিসেবে ঘোষণা করে। সেই শহরটি পুরো বছরজুড়ে বই এবং পড়ার অভ্যাস বাড়াতে বিশেষ নানা কর্মসূচি পালন করে। ২০২৬ সালের ‘ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল’ বা বিশ্ব বই রাজধানী হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে মরক্কোর রাজধানী শহর রাবাত। প্রতিবছর এই দিনটি বই পড়ার গুরুত্ব ছড়িয়ে দিত
আজ ২৩ এপ্রিল, বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দিবসটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, যার সূচনা হয়েছিল স্পেনের লেখক ভিসেন্ত ক্লাভেল আন্দ্রেসের হাত ধরে।
তিনি তার প্রিয় লেখক এবং স্প্যানিশ সাহিত্যের প্রবাদপুরুষ মিগেল দে থের্ভান্তেসের প্রয়াণ দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৯২৩ সাল থেকে স্পেনে এই প্রথা শুরু করেন। তার উদ্যোগেই ১৯২৬ সালে স্পেনে প্রথমবারের মতো ‘বই দিবস’ পালিত হয়েছিল।
পরবর্তীতে ইউনেস্কো ১৯৯৫ সালে প্রথম এই দিবসটি পালনের ঘোষণা দেয়। দিনটি নির্ধারণের পেছনে একটি বিশেষ কারণ রয়েছে—২৩ এপ্রিল হলো বিশ্বসাহিত্যের তিন দিকপাল উইলিয়াম শেক্সপিয়র, মিগুয়েল ডি সার্ভান্তেস এবং ইনকা গার্সিলাসো ডি লা ভেগা-এর মৃত্যুবার্ষিকী। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে প্রতি বছর ইউনেস্কো একটি শহরকে ‘ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল’ হিসেবে ঘোষণা করে। সেই শহরটি পুরো বছরজুড়ে বই এবং পড়ার অভ্যাস বাড়াতে বিশেষ নানা কর্মসূচি পালন করে। ২০২৬ সালের ‘ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল’ বা বিশ্ব বই রাজধানী হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে মরক্কোর রাজধানী শহর রাবাত।
প্রতিবছর এই দিনটি বই পড়ার গুরুত্ব ছড়িয়ে দিতে, বইয়ের প্রকাশনা শিল্পকে উৎসাহিত করতে এবং সৃজনশীল কাজের মেধাস্বত্ব বা কপিরাইট সংরক্ষণে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। মূলত লেখক, প্রকাশক এবং পাঠকদের মধ্যে একটি নিবিড় সেতুবন্ধন তৈরি করাই এই দিবসের প্রধান লক্ষ্য।
বিশ্বের প্রায় ১০০টিরও বেশি দেশে এই দিনটি পালিত হয়। দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন দেশে বইমেলা, আলোচনা সভা, সাহিত্য প্রতিযোগিতা এবং পাঠচক্রের আয়োজন করা হয়। অনেক দেশের পাঠকরা একে অপরকে বই এবং ফুল উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানায়।
What's Your Reaction?