আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনার ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্ট, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা
বিশ্বজুড়ে আবারও আলোচনায় এসেছে কোভিড-১৯। নতুন করে উদ্বেগ-আতঙ্ক তৈরি করেছে উচ্চমাত্রায় মিউটেশনযুক্ত ভ্যারিয়েন্ট বিএ.৩.২, যা ‘সিকাডা’ নামেও পরিচিত। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে এ ভ্যারিয়েন্ট। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিএ.৩.২ ভ্যারিয়েন্টের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো এর স্পাইক প্রোটিনে ব্যাপক মিউটেশন। এ কারণে ভাইরাসটি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে কিছুটা ফাঁকি দিতে পারে। ফলে আগের সংক্রমণ বা টিকা থেকে পাওয়া সুরক্ষা আংশিকভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ভ্যারিয়েন্ট আগেরগুলোর তুলনায় বেশি মারাত্মক—এমন কোনো প্রমাণ নেই। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, করোনার এই ভ্যারিয়েন্টটি দেখতে ভয়ঙ্কর হলেও বাস্তবে এর প্রভাব এখনো সীমিত পর্যায়ে রয়েছে। ২০২৫ সালের শেষ দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে ‘পর্যবেক্ষণাধীন ভ্যারিয়েন্ট’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। বর্তমানে বিশ্বের অন্তত ২৩টি দেশে এটির উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। ইউরোপের কয়েকটি দেশে সংক্রমণের হার তুলনামূলক বেশি বলে জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে ইতোমধ্যে ২৫টি অঙ্গরাজ্যে বিএ.৩.২ শনাক্ত হয়েছে। তবে এখনো এটি প্রধ
বিশ্বজুড়ে আবারও আলোচনায় এসেছে কোভিড-১৯। নতুন করে উদ্বেগ-আতঙ্ক তৈরি করেছে উচ্চমাত্রায় মিউটেশনযুক্ত ভ্যারিয়েন্ট বিএ.৩.২, যা ‘সিকাডা’ নামেও পরিচিত। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে এ ভ্যারিয়েন্ট।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিএ.৩.২ ভ্যারিয়েন্টের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো এর স্পাইক প্রোটিনে ব্যাপক মিউটেশন। এ কারণে ভাইরাসটি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে কিছুটা ফাঁকি দিতে পারে। ফলে আগের সংক্রমণ বা টিকা থেকে পাওয়া সুরক্ষা আংশিকভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ভ্যারিয়েন্ট আগেরগুলোর তুলনায় বেশি মারাত্মক—এমন কোনো প্রমাণ নেই। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, করোনার এই ভ্যারিয়েন্টটি দেখতে ভয়ঙ্কর হলেও বাস্তবে এর প্রভাব এখনো সীমিত পর্যায়ে রয়েছে।
২০২৫ সালের শেষ দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে ‘পর্যবেক্ষণাধীন ভ্যারিয়েন্ট’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। বর্তমানে বিশ্বের অন্তত ২৩টি দেশে এটির উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। ইউরোপের কয়েকটি দেশে সংক্রমণের হার তুলনামূলক বেশি বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে ইতোমধ্যে ২৫টি অঙ্গরাজ্যে বিএ.৩.২ শনাক্ত হয়েছে। তবে এখনো এটি প্রধান ভ্যারিয়েন্টে পরিণত হয়নি এবং বড় ধরনের সংক্রমণ ঢেউও সৃষ্টি করতে পারেনি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, কোভিড-১৯ ভাইরাসের মিউটেশন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তাই নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্টের আবির্ভাব অস্বাভাবিক নয়। বর্তমান ভ্যাকসিন এখনো গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যুঝুঁকি কমাতে কার্যকর বলেও তারা জানিয়েছেন।
এদিকে সাধারণ মানুষের জন্য পরামর্শ—কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত পরীক্ষা করা, অসুস্থ অবস্থায় ঘরে থাকা এবং ভিড়পূর্ণ স্থানে মাস্ক ব্যবহার করা।
বিশ্ব পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে সতর্ক নজর রাখছে জনস্বাস্থ্য সংস্থাগুলো। বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে সচেতনতা বজায় রাখা জরুরি।
What's Your Reaction?