আবারও ইতালির কোচ হলেন রবার্তো মানচিনি

চার বছর পর আবারও ইতালি জাতীয় ফুটবল দলের দায়িত্বে ফিরলেন রবার্তো মানচিনি। ৬১ বছর বয়সী এই কোচকে নতুন প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এফআইজিসি)। একই সঙ্গে সাবেক ডিফেন্ডার ক্লদিও রানিয়েরিকে নতুন টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এফআইজিসির সভাপতি জিওভান্নি মালাগো মানচিনির নিয়োগের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছিল এবং নানা কারণ বিবেচনায় রবার্তো মানচিনিই এই দায়িত্বের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি। তার ভাষায়, ‘এ দায়িত্বের জন্য মানচিনিই সম্ভাব্য সেরা পছন্দ।’ মানচিনি এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ইতালির কোচ ছিলেন। তার অধীনেই ২০২১ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে শিরোপার খরা কাটিয়েছিল আজ্জুরিরা। তবে সেই সাফল্যের পরও ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয় ইতালি। এরপর ২০২৩ সালের আগস্টে হঠাৎ করেই জাতীয় দলের কোচের পদ ছেড়ে দেন মানচিনি। মাত্র দুই সপ্তাহ পর সৌদি আরবের জাতীয় দলের দায়িত্ব নেন তিনি। পরে কাতারের ক্লাব আল সাদের কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন। আরও পড়ুন কোচ নিয়োগে দ্বন্দ্ব, দায়িত্ব ছাড়লেন

আবারও ইতালির কোচ হলেন রবার্তো মানচিনি

চার বছর পর আবারও ইতালি জাতীয় ফুটবল দলের দায়িত্বে ফিরলেন রবার্তো মানচিনি। ৬১ বছর বয়সী এই কোচকে নতুন প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এফআইজিসি)। একই সঙ্গে সাবেক ডিফেন্ডার ক্লদিও রানিয়েরিকে নতুন টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এফআইজিসির সভাপতি জিওভান্নি মালাগো মানচিনির নিয়োগের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছিল এবং নানা কারণ বিবেচনায় রবার্তো মানচিনিই এই দায়িত্বের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি। তার ভাষায়, ‘এ দায়িত্বের জন্য মানচিনিই সম্ভাব্য সেরা পছন্দ।’

মানচিনি এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ইতালির কোচ ছিলেন। তার অধীনেই ২০২১ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে শিরোপার খরা কাটিয়েছিল আজ্জুরিরা। তবে সেই সাফল্যের পরও ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয় ইতালি।

এরপর ২০২৩ সালের আগস্টে হঠাৎ করেই জাতীয় দলের কোচের পদ ছেড়ে দেন মানচিনি। মাত্র দুই সপ্তাহ পর সৌদি আরবের জাতীয় দলের দায়িত্ব নেন তিনি। পরে কাতারের ক্লাব আল সাদের কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন।

ইতালির নতুন কোচ নির্বাচনের দৌড়ে শুরুতে এগিয়ে ছিলেন ২০০৬ বিশ্বকাপজয়ী আন্দ্রেয়া পিরলো। কার্লো আনচেলত্তি ও পেপ গার্দিওলা প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার পর পিরলোকেই প্রধান প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল।

তবে তার সম্ভাব্য নিয়োগ নিয়ে প্রবল আপত্তি ওঠে। কারণ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্লাব দুবাই ইউনাইটেডের কোচ হওয়ার পাশাপাশি তিনি রাশিয়ার বেটিং প্রতিষ্ঠান ফনবেট-এর বৈশ্বিক শুভেচ্ছাদূত হিসেবে যুক্ত ছিলেন। এই বিষয়টি সামনে আসার পর তার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।

সভাপতি মালাগো জানান, ক্রীড়া পরিচালক পাওলো মালদিনি এবং উপদেষ্টা লিওনার্দোর সুপারিশে পিরলোর নাম প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সেই প্রার্থিতা অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত তিনি নিজেই নিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘একজন প্রার্থীকে বেছে নেওয়া হয়েছিল এবং অনেক দিক থেকেই প্রায় সমঝোতাও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তাকে অনুমোদন না দেওয়া ছিল সম্পূর্ণ আমার সিদ্ধান্ত।’

মালাগো আরও জানান, প্রথমদিকে তিনি পিরলোর ফনবেটের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টি জানতেন না। বিষয়টি জানার পর নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন তিনি। এরপর মালদিনি ও লিওনার্দো ভিন্ন অবস্থান নেন এবং শেষ পর্যন্ত দুজনই পদত্যাগ করেন।

তার ভাষায়, ‘মালদিনি কিংবা লিওনার্দোর সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ ছিল না। যা ঘটেছে তাতে স্বাভাবিকভাবেই হতাশা ছিল। তবে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতেই আমরা আলাদা পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এদিকে ইতালি কোচবিহীন হয়ে পড়েছিল জেন্নারো গাত্তুসোর পদত্যাগের পরেই। গত এপ্রিলে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কাছে হেরে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ হারায় আজ্জুরিরা। সেই ব্যর্থতার পরই দায়িত্ব ছেড়ে দেন গাত্তুসো।

মালদিনির শূন্য পদে ইতালির সাবেক অধিনায়ক জর্জিও কিয়েলিনির নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে বৈঠকে যোগ দিয়ে তিনি জানিয়ে দেন, বর্তমানে জুভেন্টাসে নিজের দায়িত্ব নিয়েই তিনি সন্তুষ্ট।

এখন ইতালিয়ান ফুটবলের লক্ষ্য, মানচিনির দ্বিতীয় অধ্যায়ে আবারও জাতীয় দলকে সাফল্যের পথে ফিরিয়ে আনা এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোর হতাশা কাটিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের হারানো অবস্থান পুনরুদ্ধার করা।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow