আবাসিক হোটেলে রাত্রিযাপন করতে উঠে মালিকের ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আবাসিক হোটেলে রাত্রিযাপন করতে উঠে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। এ ঘটনায় কবির মিয়া (৪৫) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি হোটেলটির মালিক। শুক্রবার (২৯ মে) রাতে ধর্ষণের অভিযোগে কবির মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। উপজেলার রমনা ইউনিয়নের রমনা ফেরিঘাট এলাকায় ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, জেলার উলিপুর উপজেলার ঘুঘুমারীরচর এলাকার ওই দম্পতি খালার বাড়ি সৈয়দপুর থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাতে রমনা ফেরিঘাটে পৌঁছান। ঘাটে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় নৌকা না পেয়ে তারা রাত্রিযাপনের জন্য রমনা ঘাট এলাকার ‘হোটেল কলি’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন। হোটেলে ওঠার পর ওই নারীর স্বামী তার স্ত্রী ও আট মাস বয়সী সন্তানকে কক্ষে রেখে খাবার কিনতে থানাহাট বাজারে যান। পরে খাবার নিয়ে ফিরে এলে তার স্ত্রী কান্নাকাটি করে জানান, হোটেলের মালিক কবির মিয়া শিশু সন্তানের সামনেই তাকে ধর্ষণ করেছেন। এ বিষয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও তারা বিষয়টি এড়িয়ে যান বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর স্বামী। শুক্রবার দুপুরে ভুক্তভোগীর স্বামী স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রুকুনুজ্জামান স্

আবাসিক হোটেলে রাত্রিযাপন করতে উঠে মালিকের ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আবাসিক হোটেলে রাত্রিযাপন করতে উঠে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। এ ঘটনায় কবির মিয়া (৪৫) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি হোটেলটির মালিক।

শুক্রবার (২৯ মে) রাতে ধর্ষণের অভিযোগে কবির মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। উপজেলার রমনা ইউনিয়নের রমনা ফেরিঘাট এলাকায় ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, জেলার উলিপুর উপজেলার ঘুঘুমারীরচর এলাকার ওই দম্পতি খালার বাড়ি সৈয়দপুর থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাতে রমনা ফেরিঘাটে পৌঁছান। ঘাটে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় নৌকা না পেয়ে তারা রাত্রিযাপনের জন্য রমনা ঘাট এলাকার ‘হোটেল কলি’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন।

হোটেলে ওঠার পর ওই নারীর স্বামী তার স্ত্রী ও আট মাস বয়সী সন্তানকে কক্ষে রেখে খাবার কিনতে থানাহাট বাজারে যান। পরে খাবার নিয়ে ফিরে এলে তার স্ত্রী কান্নাকাটি করে জানান, হোটেলের মালিক কবির মিয়া শিশু সন্তানের সামনেই তাকে ধর্ষণ করেছেন।

এ বিষয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও তারা বিষয়টি এড়িয়ে যান বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর স্বামী।

শুক্রবার দুপুরে ভুক্তভোগীর স্বামী স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রুকুনুজ্জামান স্বপনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে তিনি ৯৯৯ নম্বরে কল করে পুলিশকে জানান।

সন্ধ্যায় চিলমারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই নারী, তার স্বামী ও শিশু সন্তানকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে মামলা করেন। পরে রাতেই উপজেলার সরকারপাড়া এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার জানান, আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোকনুজ্জামান মানু/এসআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow