আমরা বেকার ভাতা দেবো না, মর্যাদাপূর্ণ কাজ তুলে দিতে চাই
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা কাউকে বেকার ভাতা দেবো না। বেকার ভাতা মানে হচ্ছে বেকারের কারখানা তৈরি করা। শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে রংপুরের ঐতিহাসিক পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে আয়োজিত ১০ দলীয় জোটের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা কোনো বেকারের কারখানা তৈরি করবো না। আমরা দেশের প্রত্যেকটি সক্ষম নারী-পুরুষের হাতকে দক্ষ হাতে পরিণত করতে চাই। বেকার ভাতা নয়, তাদের হাতে আমরা মর্যাদাপূর্ণ কাজ তুলে দিতে চাই।’ জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে আফগান বানাতে চাই না, ইরান বানাতে চাই না, পাকিস্তান বানাতে চাই না, অন্য কোনো দেশ বানাতে চাই না। প্রিয় গর্বের বাংলাদেশকে গর্বের বাংলাদেশ হিসেবে বানাতে চাই। আমরা মিথ্যা কোনো আশ্বাস নির্বাচনের সামনে রেখে দিচ্ছি না, দেবো না। যা আমরা পারবো না, তা আমরা বলবো না। যা আমাদের কর্তব্য বলে মনে করি, শুধু তাই বলবো।’ তিনি বলেন, ‘অনেকে বলে, মা-বোনদের কোনো স্পেস থাকবে? আমরা নারীকে নারী হিসেবে আর পুরুষকে পুরুষ হিসেবে দেখি না, আমরা সবাইকে মানুষ হিসেবে দেখি। মানুষ হিসেবে পুরুষের যে অধিকার, নারীরও সেই অধিকার।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা কাউকে বেকার ভাতা দেবো না। বেকার ভাতা মানে হচ্ছে বেকারের কারখানা তৈরি করা।
শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে রংপুরের ঐতিহাসিক পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে আয়োজিত ১০ দলীয় জোটের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা কোনো বেকারের কারখানা তৈরি করবো না। আমরা দেশের প্রত্যেকটি সক্ষম নারী-পুরুষের হাতকে দক্ষ হাতে পরিণত করতে চাই। বেকার ভাতা নয়, তাদের হাতে আমরা মর্যাদাপূর্ণ কাজ তুলে দিতে চাই।’
জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে আফগান বানাতে চাই না, ইরান বানাতে চাই না, পাকিস্তান বানাতে চাই না, অন্য কোনো দেশ বানাতে চাই না। প্রিয় গর্বের বাংলাদেশকে গর্বের বাংলাদেশ হিসেবে বানাতে চাই। আমরা মিথ্যা কোনো আশ্বাস নির্বাচনের সামনে রেখে দিচ্ছি না, দেবো না। যা আমরা পারবো না, তা আমরা বলবো না। যা আমাদের কর্তব্য বলে মনে করি, শুধু তাই বলবো।’
তিনি বলেন, ‘অনেকে বলে, মা-বোনদের কোনো স্পেস থাকবে? আমরা নারীকে নারী হিসেবে আর পুরুষকে পুরুষ হিসেবে দেখি না, আমরা সবাইকে মানুষ হিসেবে দেখি। মানুষ হিসেবে পুরুষের যে অধিকার, নারীরও সেই অধিকার। অতএব মা-বোনেরা ভয় পাবেন না, আমাদের হাতকে আপনারা শক্তিশালী করুন।’
‘আমরা কারও পেছনে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য লেগে থাকবো না’ জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমরা বলেছি, নির্বাচন পরবর্তী আল্লাহ তায়ালা যদি আমাদেরকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেন, আমরা কোনো পুরোনো ফাইলের পেছনে ছুটবো না। অর্থাৎ আমরা কারও পেছনে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য লেগে থাকবো না। কিন্তু হ্যাঁ, যারা সুস্পষ্ট সুনির্দিষ্ট অপরাধ করেছে, আইন তার নিজস্ব গতিতে তাদের বিচার করবে। কারণ, বিচার না করে মাফ করে দেওয়া বা দায়মুক্তি—এর নাম বিচার নয়; এটা বৈষম্য, বিচারের ওপরে জুলুম। আমরা সেই বিচারের ওপরে জুলুম মানবো না।’
তিনি বলেন, ‘যেই রাজনীতি তার নেতা-নেত্রীকে চোর বানায়, লুটেরা বানায়, সন্ত্রাসী বানায়, ফ্যাসিস্ট বানায়; ওই রাজনীতি আর আমরা দেখতে চাই না।’
ফ্যাসিবাদ যাতে আর ফিরে না আসে, দুর্নীতিবাজরা আর যাতে সমাজে চলাফেরা করতে না পারে, এমন একটা দেশ এবং সমাজ গড়ার জন্য দেশবাসী উন্মুখ হয়ে আছে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘রক্ত দিয়ে লড়াই করা যুবকরা-যুবতীরা উন্মুখ হয়ে আছে। আমরা তাদের কাছে ওয়াদাবদ্ধ, তোমাদের সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণে লড়াই যতদিন চালিয়ে যেতে হয়, আমরা প্রস্তুত। এ লড়াই থামবে না। এ লড়াই তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন জনগণের এবং বিশেষ করে আমাদের যুব সমাজের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে।’
জিতু কবীর/এসআর
What's Your Reaction?