আমাদের ঘাড়ের ওপর কারও আধিপত্য মেনে নেবো না: জামায়াত আমির

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ চাইছে বিশ্বের সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে। তিনি বলেন, “একটা বিষয় স্পষ্ট — আমরা কারও আধিপত্য কখনও মেনে নেব না। অতীতে যে বোঝা আমরা বহন করেছি, তা আর জাতি নিজের কাঁধে তুলবে না। যুব সমাজ এটি কখনও মানবে না। আমরা গর্বিতভাবে বাঁচতে চাই, বিশ্বের সামনে পরিচয় দিতে চাই যে, আমি একজন গর্বিত বাংলাদেশী।” মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে চীনা দূতাবাসের সহযোগিতায় ঢাকা-১৫ আসনের নিম্ন আয়ের মানুষদের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি। জামায়াত আমির আরও বলেন, “কথায় চিড়া ভিজাতে চাইলে মানুষ চিড়া ভিজানো শিখে নেয়। অনেক সময় বিদেশি শক্তি বাংলাদেশকে কিছু না দিয়ে শুধু নিয়ে যায় এবং যেকোনো সময় হস্তক্ষেপ করে। ফ্যাসিস্ট শাসনের সময়ে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বের নিদর্শনও হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছিল।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, “চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা বাংলাদেশকে সেই দখলমুক্ত করেছেন। তবে চীন কখনও এমন আচরণ করে না। তারা নিয়মিত বন্ধুত্বের পরিচয় দেখিয়েছে। আমরা আশা করি, আগের চেয়ে আগামীতে আমাদের প্রিয়

আমাদের ঘাড়ের ওপর কারও আধিপত্য মেনে নেবো না: জামায়াত আমির

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ চাইছে বিশ্বের সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে। তিনি বলেন, “একটা বিষয় স্পষ্ট — আমরা কারও আধিপত্য কখনও মেনে নেব না। অতীতে যে বোঝা আমরা বহন করেছি, তা আর জাতি নিজের কাঁধে তুলবে না। যুব সমাজ এটি কখনও মানবে না। আমরা গর্বিতভাবে বাঁচতে চাই, বিশ্বের সামনে পরিচয় দিতে চাই যে, আমি একজন গর্বিত বাংলাদেশী।”

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে চীনা দূতাবাসের সহযোগিতায় ঢাকা-১৫ আসনের নিম্ন আয়ের মানুষদের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াত আমির আরও বলেন, “কথায় চিড়া ভিজাতে চাইলে মানুষ চিড়া ভিজানো শিখে নেয়। অনেক সময় বিদেশি শক্তি বাংলাদেশকে কিছু না দিয়ে শুধু নিয়ে যায় এবং যেকোনো সময় হস্তক্ষেপ করে। ফ্যাসিস্ট শাসনের সময়ে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বের নিদর্শনও হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছিল।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা বাংলাদেশকে সেই দখলমুক্ত করেছেন। তবে চীন কখনও এমন আচরণ করে না। তারা নিয়মিত বন্ধুত্বের পরিচয় দেখিয়েছে। আমরা আশা করি, আগের চেয়ে আগামীতে আমাদের প্রিয় বন্ধু চীন আরও সক্রিয় হয়ে বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করবে।”

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow