আমির হামজার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা

সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ এবং তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। বুধবার (৩ জুন) তিনি এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান।  বিবৃতিতে বলা হয়, পরিবারসহ শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে ১ জুন হাসাদাহ বাজারে যেভাবে একজন সংসদ সদস্যের পরিবারের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে, তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির বহিঃপ্রকাশ। এই হামলায় দৈনিক কালবেলার জীবননগর প্রতিনিধি ও এমপির শালা আবু বক্কর এবং গাড়িচালক সাদ্দাম হোসেন মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। এমনকি নারী সদস্যদের সঙ্গেও চরম অশোভন আচরণ ও গালমন্দ করা হয়েছে, যা কোনো সভ্য সমাজে মেনে নেওয়া যায় না। তিনি বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে উক্ত এলাকার বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, তার ছেলে শাহরিয়ার ও রিমনসহ চিহ্নিত ব্যক্তিরা এই হামলা চালিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। একজন জনপ্রতিনিধির পরিবারই যেখানে নিরাপদ নয়, সেখানে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা আজ কোথায় গিয়ে ঠেকেছে, তা সহজেই অনুমেয়। বিবৃতির শেষে ব

আমির হামজার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা

সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ এবং তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

বুধবার (৩ জুন) তিনি এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান। 

বিবৃতিতে বলা হয়, পরিবারসহ শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে ১ জুন হাসাদাহ বাজারে যেভাবে একজন সংসদ সদস্যের পরিবারের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে, তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির বহিঃপ্রকাশ। এই হামলায় দৈনিক কালবেলার জীবননগর প্রতিনিধি ও এমপির শালা আবু বক্কর এবং গাড়িচালক সাদ্দাম হোসেন মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। এমনকি নারী সদস্যদের সঙ্গেও চরম অশোভন আচরণ ও গালমন্দ করা হয়েছে, যা কোনো সভ্য সমাজে মেনে নেওয়া যায় না।

তিনি বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে উক্ত এলাকার বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, তার ছেলে শাহরিয়ার ও রিমনসহ চিহ্নিত ব্যক্তিরা এই হামলা চালিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। একজন জনপ্রতিনিধির পরিবারই যেখানে নিরাপদ নয়, সেখানে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা আজ কোথায় গিয়ে ঠেকেছে, তা সহজেই অনুমেয়।

বিবৃতির শেষে বলা হয়, অবিলম্বে এই হামলার সঙ্গে জড়িত মূল হোতা মোস্তাক, শাহরিয়ার ও রিমনসহ সব অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আমি জোর দাবি জানাচ্ছি। একইসঙ্গে আমি আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow