‘আমি ঘুরে দাঁড়ানোর উদাহরণ’ বিশ্বকাপ ও গোল্ডেন বল জিতে আবেগঘন রদ্রি
বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের (গোল্ডেন বল) পুরস্কার জিতে নিজের কঠিন সময়ের কথা স্মরণ করলেন স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রি। আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করার পর মাঠেই আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। ২০২৪ সালে ডান হাঁটুর অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ায় প্রায় আট মাস মাঠের বাইরে ছিলেন রদ্রি। এরপর আরও কয়েকটি ছোটখাট চোটও ভুগিয়েছে তাকে। তবে সব বাধা পেরিয়ে বিশ্বকাপ জয় এবং ব্যক্তিগত সাফল্যকে জীবনের বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখছেন তিনি। রদ্রি বলেন, ‘আমি চাই মানুষ দেখুক, একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছেও আবার একেবারে নিচে নেমে যেতে পারে। কিন্তু কঠোর পরিশ্রম করলে জীবন একসময় তার প্রতিদান দেয়। আমি ঘুরে দাঁড়ানোর একটি উদাহরণ। অনেক মানুষ আমাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনে না, কিন্তু স্পেনের মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন আমি সবসময় অনুভব করেছি।’ ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে স্পেন পুরো ম্যাচজুড়ে আধিপত্য বিস্তার করে। দলটি ৬৫ শতাংশ সময় বলের দখল ধরে রাখে এবং নির্ধারিত সময়ে ১৫টি শট নেয়, যার মধ্যে ১০টি ঠেকিয়ে দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো \'দিবু\' মার
বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের (গোল্ডেন বল) পুরস্কার জিতে নিজের কঠিন সময়ের কথা স্মরণ করলেন স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রি। আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করার পর মাঠেই আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।
২০২৪ সালে ডান হাঁটুর অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ায় প্রায় আট মাস মাঠের বাইরে ছিলেন রদ্রি। এরপর আরও কয়েকটি ছোটখাট চোটও ভুগিয়েছে তাকে। তবে সব বাধা পেরিয়ে বিশ্বকাপ জয় এবং ব্যক্তিগত সাফল্যকে জীবনের বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখছেন তিনি।
রদ্রি বলেন, ‘আমি চাই মানুষ দেখুক, একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছেও আবার একেবারে নিচে নেমে যেতে পারে। কিন্তু কঠোর পরিশ্রম করলে জীবন একসময় তার প্রতিদান দেয়। আমি ঘুরে দাঁড়ানোর একটি উদাহরণ। অনেক মানুষ আমাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনে না, কিন্তু স্পেনের মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন আমি সবসময় অনুভব করেছি।’
ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে স্পেন পুরো ম্যাচজুড়ে আধিপত্য বিস্তার করে। দলটি ৬৫ শতাংশ সময় বলের দখল ধরে রাখে এবং নির্ধারিত সময়ে ১৫টি শট নেয়, যার মধ্যে ১০টি ঠেকিয়ে দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো 'দিবু' মার্তিনেজ। অতিরিক্ত সময়ে আরও পাঁচটি শট, একটি বাতিল গোল এবং লাগাতার আক্রমণের পর ফেরান তোরেসের গোলে জয়ের দেখা পায় স্পেন।
দলের মানসিকতার প্রশংসা করে রদ্রি বলেন, ‘এই দলটির সবচেয়ে বড় রহস্য হলো-প্রতিপক্ষ যেই হোক, আমরা জয়ের জন্যই খেলি। জীবনে সাহস থাকতে হয়, আর সাহসীদেরই জীবন পুরস্কৃত করে।’
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এই দলটি অসাধারণ, আর আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন-এটা বলা সত্যিই অবিশ্বাস্য। এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন আসর ছিল। আমাদের প্রতিপক্ষের দলে সর্বকালের সেরা ফুটবলার ছিলেন, তবুও আমরা সব রেকর্ড ভেঙে শিরোপা জিতেছি।’
পুরো বিশ্বকাপে স্পেনের আটটি ম্যাচের সবকটিতেই শুরুর একাদশে ছিলেন রদ্রি। টুর্নামেন্টে ৬৫০টির বেশি সফল পাস দিয়ে তিনি এক আসরে সর্বাধিক পাসের নতুন রেকর্ড গড়েন। এছাড়া তার পাস সফলতার হার ছিল প্রায় ৯৩ শতাংশ, যা স্পেনের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আরআর/এমএমআর
What's Your Reaction?