আর্জেন্টিনার রেফারি ইস্যু, ‘অযথা বিতর্ক সৃষ্টি করাই অনেকের কাজ’

২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে ফ্রান্সের ম্যাচ পরিচালনা করবেন সম্পূর্ণ আর্জেন্টাইন রেফারিদের একটি প্যানেল। এই রেফারি নিয়োগকে ঘিরে নানা আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হলেও ফরাসি ফুটবলাররা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে রাজি নন। এই ম্যাচের প্রধান রেফারি ফাকুন্দো তেয়ো। তার সঙ্গে সহকারী হিসেবে থাকবেন হুয়ান পাবলো বেলাত্তি ও গ্যাব্রিয়েল চাদে। চতুর্থ রেফারি দারিও এরেরা এবং পঞ্চম রেফারি ক্রিশ্চিয়ান নাভারো- সবাই আর্জেন্টিনার। ফ্রান্সের ডিফেন্ডার দায়ো উপামেকানো বলেন, রেফারি কে, সেটা আমাদের ভাবনার বিষয় নয়। আমরা আগে কখনো এসব নিয়ে মাথা ঘামাইনি। আমাদের পুরো মনোযোগ মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে। আমরা শুধু জিততে চাই, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। গোলরক্ষক রবিন রিসারও একই সুরে কথা বলেন। তার ভাষ্য- অযথা সন্দেহপ্রবণ হওয়া উচিত নয়। বিতর্ক তৈরি করাই অনেকের কাজ। শেষ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর কয়েক বছর ধরে কিছু তিক্ততা রয়েছে, এটা ফুটবলেরই অংশ। যদি এই রেফারিরা এখানে দায়িত্ব পান, তাহলে তারা অবশ্যই এই পর্যায়ের যোগ্য। আমাদের নিয়ন্ত্রণে যা আছে, সেদিকেই মনোযোগ দিতে হবে। শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা ও মিশরের ম্যাচ পরিচালনা করেছিল যে প্যা

আর্জেন্টিনার রেফারি ইস্যু, ‘অযথা বিতর্ক সৃষ্টি করাই অনেকের কাজ’

২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে ফ্রান্সের ম্যাচ পরিচালনা করবেন সম্পূর্ণ আর্জেন্টাইন রেফারিদের একটি প্যানেল। এই রেফারি নিয়োগকে ঘিরে নানা আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হলেও ফরাসি ফুটবলাররা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে রাজি নন।

এই ম্যাচের প্রধান রেফারি ফাকুন্দো তেয়ো। তার সঙ্গে সহকারী হিসেবে থাকবেন হুয়ান পাবলো বেলাত্তি ও গ্যাব্রিয়েল চাদে। চতুর্থ রেফারি দারিও এরেরা এবং পঞ্চম রেফারি ক্রিশ্চিয়ান নাভারো- সবাই আর্জেন্টিনার।

ফ্রান্সের ডিফেন্ডার দায়ো উপামেকানো বলেন, রেফারি কে, সেটা আমাদের ভাবনার বিষয় নয়। আমরা আগে কখনো এসব নিয়ে মাথা ঘামাইনি। আমাদের পুরো মনোযোগ মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে। আমরা শুধু জিততে চাই, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

গোলরক্ষক রবিন রিসারও একই সুরে কথা বলেন। তার ভাষ্য- অযথা সন্দেহপ্রবণ হওয়া উচিত নয়। বিতর্ক তৈরি করাই অনেকের কাজ। শেষ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর কয়েক বছর ধরে কিছু তিক্ততা রয়েছে, এটা ফুটবলেরই অংশ। যদি এই রেফারিরা এখানে দায়িত্ব পান, তাহলে তারা অবশ্যই এই পর্যায়ের যোগ্য। আমাদের নিয়ন্ত্রণে যা আছে, সেদিকেই মনোযোগ দিতে হবে।

শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা ও মিশরের ম্যাচ পরিচালনা করেছিল যে প্যানেলটি তার সবাই ছিলেন ফরাসি। সেই নিয়োগ নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে আলোচনা হয়েছিল। তবে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রাও তখন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি।

সেই ম্যাচের প্রধান রেফারি ছিলেন ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে। ম্যাচে ভিএআর পর্যালোচনার পর তিনি মোস্তাফা জিকোর করা মিশরের দ্বিতীয় গোল বাতিল করেন, কারণ আক্রমণের শুরুতে লিসান্দ্রো মার্তিনেসের ওপর ফাউল হয়েছিল বলে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। সহকারী রেফারি ছিলেন সিরিল মুনিয়ে ও জেরোম ব্রিসার্ড।

যদিও ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে রেফারিং নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি, মিশর ফুটবল ফেডারেশন দাবি করেছে যে তারা ওই ম্যাচে অবিচারের শিকার হয়েছে। বিশেষ করে গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত এবং আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের আগে মোহামেদ সালাহর ওপর সম্ভাব্য ফাউলের ঘটনায় পেনাল্টি না দেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে তারা ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগও দায়ের করেছে।

আরআর/আইএইচএস/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow