আ’লীগ অফিসে টানানো ব্যানার পুড়িয়ে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকর্মীরা

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজশাহী মহানগর শাখার কার্যালয় উদ্বোধনের পর টানানো ব্যানার পুড়িয়ে দিয়েছেন বিএনপির অঙ্গ সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নেতাকর্মীরা ব্যানার পুড়িয়ে দেন। এর আগে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাতে কে বা কারা ব্যানারটি টানিয়ে রেখে যায়। স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে ব্যানার টানানোর বিষয়টি জানাজানি হলে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বিএনপির সহযোগী সংগঠন সেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হন। সেখানে নেতৃত্ব দেন বিএনপির মহানগর কমিটির বোয়ালিয়া পশ্চিমের সভাপতি শামসুল আলম মিলু। তারা ব্যানারটি টেনে ছিঁড়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন। শামসুল আলম মিলু বলেন, খবর পেলাম যে ব্যানার টানানো আছে। এরপর আমরা সেখানে যাই। গিয়ে ব্যানার টানানো দেখলাম। এরপর পাশেই একটি ক্যামেরার দোকান আছে, সেখান থেকে অনেক চেষ্টা করলাম করা লাগিয়েছে দেখতে। দেখলাম দুই তিনজন লাগাচ্ছে, তবে তাদের চেহারা স্পষ্ট না। তিনি আরও বলেন, এরপর আমার সঙ্গে থাকা লোকজন সেটিকে ছিঁড়ে ফেলে। পরে আমরা সেটিকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলি। এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন

আ’লীগ অফিসে টানানো ব্যানার পুড়িয়ে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকর্মীরা

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজশাহী মহানগর শাখার কার্যালয় উদ্বোধনের পর টানানো ব্যানার পুড়িয়ে দিয়েছেন বিএনপির অঙ্গ সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নেতাকর্মীরা ব্যানার পুড়িয়ে দেন। এর আগে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাতে কে বা কারা ব্যানারটি টানিয়ে রেখে যায়।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে ব্যানার টানানোর বিষয়টি জানাজানি হলে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বিএনপির সহযোগী সংগঠন সেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হন। সেখানে নেতৃত্ব দেন বিএনপির মহানগর কমিটির বোয়ালিয়া পশ্চিমের সভাপতি শামসুল আলম মিলু। তারা ব্যানারটি টেনে ছিঁড়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন।

শামসুল আলম মিলু বলেন, খবর পেলাম যে ব্যানার টানানো আছে। এরপর আমরা সেখানে যাই। গিয়ে ব্যানার টানানো দেখলাম। এরপর পাশেই একটি ক্যামেরার দোকান আছে, সেখান থেকে অনেক চেষ্টা করলাম করা লাগিয়েছে দেখতে। দেখলাম দুই তিনজন লাগাচ্ছে, তবে তাদের চেহারা স্পষ্ট না।

তিনি আরও বলেন, এরপর আমার সঙ্গে থাকা লোকজন সেটিকে ছিঁড়ে ফেলে। পরে আমরা সেটিকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলি।

এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, রাতের আঁধারে কে বা কারা ব্যানারটি টানিয়ে রেখে যায়। পরে খবর নিয়ে দেখছি সেটি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তবে কে লাগিয়েছে বা পুড়িয়েছে সেটি জানা নেই।

সাখাওয়াত হোসেন/এমএন/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow