আ.লীগ আমলের ডিএমপি-ডিবির কর্মকর্তাদের সম্পদ অনুসন্ধানে রিট
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) ও ডিএমপিতে দায়িত্ব পালন করা কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এসএম জুলফিকুর আলী জুনু রিট আবেদনটি করেন। শুক্রবার (১ মে) তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রিটে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নিষ্ক্রিয়তা ও বিলম্বের বিষয়টি উল্লেখ করে অভিযোগগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। রিট আবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ নেওয়া, অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও তা কার্যকরভাবে তদন্ত করা হয়নি। ফলে জনমনে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে এবং আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। রিটে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের সম্পদের বিস্তারিত হিসাব যাচাইয়ের নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান পরিচালনার নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি করে আদালতে প
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) ও ডিএমপিতে দায়িত্ব পালন করা কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এসএম জুলফিকুর আলী জুনু রিট আবেদনটি করেন। শুক্রবার (১ মে) তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রিটে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নিষ্ক্রিয়তা ও বিলম্বের বিষয়টি উল্লেখ করে অভিযোগগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ নেওয়া, অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও তা কার্যকরভাবে তদন্ত করা হয়নি। ফলে জনমনে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে এবং আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
রিটে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের সম্পদের বিস্তারিত হিসাব যাচাইয়ের নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান পরিচালনার নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের আবেদন জানানো হয়েছে।
আইনজীবী জানান, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ দীর্ঘদিন অনিষ্পন্ন থাকা গণতন্ত্র ও সুশাসনের জন্য হুমকি। তাই দ্রুত তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিটটির শুনানির তারিখ শিগগিরই নির্ধারণ করা হতে পারে।
What's Your Reaction?