‘আ.লীগ নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ’

আওয়ামী লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ বলে অভিযোগ তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন।  বুধবার (৩ জুন) ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এ অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন। রাশেদ খাঁন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে হান্নান মাসউদ! গণঅভ্যুত্থানের পরে হান্নান মাসউদের মিটিং শুরু হয় আওয়ামী লীগ নেতাদের দিয়ে। আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার অসংখ্য মিটিং হয়েছে। পল্টনের হোটেল ফার্সের কয়েকটা টেবিল যেন একপ্রকার হান্নান মাসউদের জন্য বরাদ্দ থাকত।  তিনি বলেন, একবার আওয়ামী লীগের এক এমপিকে ৪ কোটিতে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার আলাপ ওঠে। আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষ করে হান্নান মাসউদ জিসানকে বলে, ‘ভাই, ওরা ১ কোটি দিতে চায়, আপনি ৩ কোটিতে ডিল করেন। ওদের সব কাঁচা টাকা, টাকা-পয়সার দরকার আছে!’ এ কথা শুনে এক ধরনের স্তব্ধ হয়ে যায় জিসান! হান্নান মাসউদের অনেক ঘটনার রাজসাক্ষী হাতিয়ার এই সন্তান আবদুল গাফফার জিসান।  স্ট্যাটাসে রাশেদ বলেন, ২৭ জুলাই থেকে রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আব

‘আ.লীগ নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ’

আওয়ামী লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ বলে অভিযোগ তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন। 

বুধবার (৩ জুন) ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এ অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন।

রাশেদ খাঁন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে হান্নান মাসউদ! গণঅভ্যুত্থানের পরে হান্নান মাসউদের মিটিং শুরু হয় আওয়ামী লীগ নেতাদের দিয়ে। আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার অসংখ্য মিটিং হয়েছে। পল্টনের হোটেল ফার্সের কয়েকটা টেবিল যেন একপ্রকার হান্নান মাসউদের জন্য বরাদ্দ থাকত। 

তিনি বলেন, একবার আওয়ামী লীগের এক এমপিকে ৪ কোটিতে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার আলাপ ওঠে। আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষ করে হান্নান মাসউদ জিসানকে বলে, ‘ভাই, ওরা ১ কোটি দিতে চায়, আপনি ৩ কোটিতে ডিল করেন। ওদের সব কাঁচা টাকা, টাকা-পয়সার দরকার আছে!’ এ কথা শুনে এক ধরনের স্তব্ধ হয়ে যায় জিসান! হান্নান মাসউদের অনেক ঘটনার রাজসাক্ষী হাতিয়ার এই সন্তান আবদুল গাফফার জিসান। 

স্ট্যাটাসে রাশেদ বলেন, ২৭ জুলাই থেকে রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আবদুল গফফার জিসান আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাদের সঙ্গে এই ছেলেটি ছিল। ৩ জন সমন্বয়কদের ভিডিও বা ছবি তুলতে ক্যামেরার পেছনের মানুষটিই ছিলেন এই আবদুল গফফার জিসান। জিসান সম্পর্কে রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকারকে জিজ্ঞেস করলেও উত্তর পাবেন। জিসানের ছোট ভাই হান্নান মাসউদের বন্ধু। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এবং শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। 

‘আর জিসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। হান্নান মাসউদের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের পরেও বেশকিছুদিন জিসান ছিল। মূলত গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান-হান্নান মাসউদকে নিরাপত্তা দেওয়ার কাজেই সঙ্গে থাকত। কিন্তু হান্নান মাসউদের টাকার প্রতি মোহ ও আকস্মিক পরিবর্তন জিসান মেনে নিতে পারেনি। যে কারণে সে আর হান্নান মাসউদের সঙ্গে থাকেনি।’ 

স্ট্যাটাসের শেষে রাশেদ বলেন, নোয়াখালীর হাতিয়ার আওয়ামী লীগের এমপি মোহাম্মদ আলী যেন ছিল হান্নান মাসউদের এমপি হওয়ার পথের কাঁটা! হান্নান মাসউদ এটা বুঝতে পেরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রভাব খাটিয়ে শুরুতেই তাকে গ্রেপ্তার করাতে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন জায়গায় মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে বক্তব্যও দিয়েছে হান্নান মাসউদ। ঘরোয়া আলাপে সে বলেছে, নোয়াখালীর যত আওয়ামী লীগ আছে, কারও সঙ্গে আমার কোনো দ্বন্দ্ব নেই। আমার একমাত্র দ্বন্দ্ব মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে। এমনকি বিভিন্ন আলাপে সে লোকজনকে বোঝাতে চেয়েছে, নোয়াখালীর এমপি হতে কোয়ালিটি ও কোয়ানটিটিতে তাকে মোহাম্মদ আলীর মতো অর্থবিত্তের মালিক হতে হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow