ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত ব্রাজিল তারকা এনদ্রিক
ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের তরুণ স্ট্রাইকার এনদ্রিককে (২০) নতুন শুভেচ্ছাদূত (অ্যাম্বাসেডর) হিসেবে ঘোষণা করেছে জাতিসংঘের শিশু তহবিল- ইউনিসেফ। এর মাধ্যমে ব্রাজিলে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের দলে যুক্ত হলেন রিয়াল মাদ্রিদের এই ফুটবলার। দেশটির ইতিহাসে ইউনিসেফ ব্রাজিলের প্রথম ক্রীড়াবিদ শুভেচ্ছাদূতও তিনি। বুধবার এক ঘোষণায় ইউনিসেফ জানায়, এন্দ্রিক তার জনপ্রিয়তা ও সামাজিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে দেশের শিশুদের শিক্ষা, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখবেন। এই দায়িত্বে তিনি যোগ দিচ্ছেন ব্রাজিলের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও উপস্থাপক মাইসা, কিংবদন্তি কৌতুক অভিনেতা রেনাতো আরাগাঁও, সংগীতশিল্পী দানিয়েলা মারকুরি, অভিনেতা লাজারো রামোস, অভিনেতা ব্রুনো গাগলিয়াসো এবং বিখ্যাত কমিক চরিত্র মোনিকার সঙ্গে। ১৯৫৪ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিল্পী, ক্রীড়াবিদ ও সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ইউনিসেফ শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়ে আসছে। তাদের মাধ্যমে শিশুদের অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করে সংস্থাটি। ই
ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের তরুণ স্ট্রাইকার এনদ্রিককে (২০) নতুন শুভেচ্ছাদূত (অ্যাম্বাসেডর) হিসেবে ঘোষণা করেছে জাতিসংঘের শিশু তহবিল- ইউনিসেফ। এর মাধ্যমে ব্রাজিলে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের দলে যুক্ত হলেন রিয়াল মাদ্রিদের এই ফুটবলার। দেশটির ইতিহাসে ইউনিসেফ ব্রাজিলের প্রথম ক্রীড়াবিদ শুভেচ্ছাদূতও তিনি।
বুধবার এক ঘোষণায় ইউনিসেফ জানায়, এন্দ্রিক তার জনপ্রিয়তা ও সামাজিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে দেশের শিশুদের শিক্ষা, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখবেন।
এই দায়িত্বে তিনি যোগ দিচ্ছেন ব্রাজিলের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও উপস্থাপক মাইসা, কিংবদন্তি কৌতুক অভিনেতা রেনাতো আরাগাঁও, সংগীতশিল্পী দানিয়েলা মারকুরি, অভিনেতা লাজারো রামোস, অভিনেতা ব্রুনো গাগলিয়াসো এবং বিখ্যাত কমিক চরিত্র মোনিকার সঙ্গে।
১৯৫৪ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিল্পী, ক্রীড়াবিদ ও সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ইউনিসেফ শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়ে আসছে। তাদের মাধ্যমে শিশুদের অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করে সংস্থাটি।
ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এনদ্রিক বলেন, ‘ইউনিসেফের আমন্ত্রণ পাওয়া শুধু সম্মানের বিষয় নয়, এটি অনেক বড় একটি দায়িত্ব। আমি জানি, প্রতিদিন লাখো শিশু একটি সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে। আমিও একসময় ঠিক তেমনই স্বপ্ন দেখেছিলাম। আমি আমার কণ্ঠ ব্যবহার করে তাদের জানাতে চাই, তারা যেন নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখে, নিজেদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য লড়াই করে এবং কখনো হাল না ছেড়ে দেয়। কোনো শিশুই যেন পিছিয়ে না থাকে। এই মিশনের অংশ হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।’
ইউনিসেফ জানিয়েছে, শুভেচ্ছাদূত নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র জনপ্রিয়তা বিবেচনা করা হয় না। মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং শিশু ও কিশোরদের কল্যাণে কাজ করার আন্তরিক ইচ্ছাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এনদ্রিকের ফুটবল ক্যারিয়ার ব্যস্ত হলেও তিনি সামাজিক বিভিন্ন উদ্যোগে অংশ নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছেন। ইউনিসেফের আশা, তার উপস্থিতি ব্রাজিলের নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং শিশুদের অধিকার রক্ষার বার্তা আরও বিস্তৃতভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।
মাত্র ২০ বছর বয়সেই ফুটবল মাঠে যেমন নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন এনদ্রিক, তেমনি মাঠের বাইরেও সামাজিক দায়িত্ব পালনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন তিনি। ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে এখন তার লক্ষ্য- ব্রাজিলের প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ, সমান সুযোগপূর্ণ ও আশাব্যঞ্জক ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
আইএইচএস/
What's Your Reaction?