ট্রান্সজেন্ডার বিয়ের নামে ধর্ম ও সমাজ কলুষিত করা হয়েছে: ইসলামী আন্দোলন
ট্রান্সজেন্ডার বিয়ের নামে ধর্ম, সমাজ ও বিয়ের মতো পবিত্র সামাজিক বন্ধনকে কলুষিত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটি বলেছে, সমাজের ভিত্তিমূলক মূল্যবোধ রক্ষায় রাষ্ট্রকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে পুরুষ থেকে রূপান্তরিত এক নারীর ঘটা করে বিয়ের যে সংবাদ সামনে এসেছে, তা বিয়ের মতো পবিত্র একটি সামাজিক বন্ধনকে কলুষিত করেছে। একই সঙ্গে সমাজ ও ধর্মকে কলঙ্কিত করেছে। তিনি দাবি করেন, হাজার বছরের সামাজিক পুঁজি, ধর্মীয় অনুভূতি ও পারিবারিক বন্ধনের সূত্রকে কলুষিত করার অধিকার কারও নেই। এ বিষয়ে রাষ্ট্রের নীরবতায় দেশের সচেতন সমাজ শঙ্কিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সমাজের ভিত্তিমূলক মূল্যবোধ রক্ষায় রাষ্ট্রকে ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম বলেন, নারী ও পুরুষের বাইরে তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে যা রয়েছে, তা একটি বিরল ধরনের জেনেটিক বিষয় এবং এরা সমাজে হিজড়া হিসেবে পরিচিত। তাদের প্রতি সহানুভূতি ও সম্মান রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হিজড়া ও
ট্রান্সজেন্ডার বিয়ের নামে ধর্ম, সমাজ ও বিয়ের মতো পবিত্র সামাজিক বন্ধনকে কলুষিত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটি বলেছে, সমাজের ভিত্তিমূলক মূল্যবোধ রক্ষায় রাষ্ট্রকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে পুরুষ থেকে রূপান্তরিত এক নারীর ঘটা করে বিয়ের যে সংবাদ সামনে এসেছে, তা বিয়ের মতো পবিত্র একটি সামাজিক বন্ধনকে কলুষিত করেছে। একই সঙ্গে সমাজ ও ধর্মকে কলঙ্কিত করেছে। তিনি দাবি করেন, হাজার বছরের সামাজিক পুঁজি, ধর্মীয় অনুভূতি ও পারিবারিক বন্ধনের সূত্রকে কলুষিত করার অধিকার কারও নেই। এ বিষয়ে রাষ্ট্রের নীরবতায় দেশের সচেতন সমাজ শঙ্কিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সমাজের ভিত্তিমূলক মূল্যবোধ রক্ষায় রাষ্ট্রকে ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম বলেন, নারী ও পুরুষের বাইরে তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে যা রয়েছে, তা একটি বিরল ধরনের জেনেটিক বিষয় এবং এরা সমাজে হিজড়া হিসেবে পরিচিত। তাদের প্রতি সহানুভূতি ও সম্মান রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হিজড়া ও ট্রান্সজেন্ডার এক বিষয় নয়। তার ভাষ্য, একটি জন্মগত অপূর্ণাঙ্গতা, অন্যটি ইচ্ছাকৃত বিকৃতি। রাষ্ট্রের নীরবতা এই ইচ্ছাকৃত বিকৃতিকে পরোক্ষভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার শামিল, যা নারী ও পুরুষের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ট্রান্সজেন্ডার বা এলজিবিটিকিউকেন্দ্রিক রাজনৈতিক এজেন্ডার জন্ম পশ্চিমা বিশ্বে। তার দাবি, পশ্চিমা এই এজেন্ডা বাংলাদেশের সমাজ, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ কারণে ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে দেশের অস্তিত্বের প্রতি হুমকি বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ ধরনের বিষয়কে প্রশ্রয় দেওয়ার সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের নীরবতা দেশের স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করতে পারে।