ইতালিতে ট্রেন দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু
ইতালির বেরগামোতে ট্রেন দুর্ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার শফিকুল ইসলাম মারা গেছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) বেরগামোর লেভাতে এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। শফিকুল (৫৫) উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের জাজিসার গ্রামের আব্দুস ছামাদের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। নিহত শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে ইতালির বেরগামো এলাকায় বসবাস করছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও চার সন্তান রেখে গেছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির এমন মৃত্যুতে তার পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন। শফিকুলের ভাতিজা সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার কাকা শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে ইতালিতে প্রবাস জীবনে ছিলেন। কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান তিনি। বর্তমানে ইতালির একটি হাসপাতালের মর্গে তার লাশ রাখা আছে। তার লাশ ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি।
ইতালির বেরগামোতে ট্রেন দুর্ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার শফিকুল ইসলাম মারা গেছেন।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বেরগামোর লেভাতে এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। শফিকুল (৫৫) উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের জাজিসার গ্রামের আব্দুস ছামাদের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। নিহত শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে ইতালির বেরগামো এলাকায় বসবাস করছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও চার সন্তান রেখে গেছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির এমন মৃত্যুতে তার পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।
শফিকুলের ভাতিজা সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার কাকা শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে ইতালিতে প্রবাস জীবনে ছিলেন। কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান তিনি। বর্তমানে ইতালির একটি হাসপাতালের মর্গে তার লাশ রাখা আছে। তার লাশ ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি।
What's Your Reaction?