‘ইতালির সঙ্গে যা হয়েছে, তা আমাকে কষ্ট দেয়’
টানা তৃতীয়বারের মতো ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে ব্যর্থ হয়েছে ইতালি। এই ঘটনায় হতবাক হয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব। যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এমন পরিণতি মেনে নিতে পারছেন না কেউই। এ ব্যাপারে মুখ খুলেছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনলে স্কালোনি। আর্জেন্টিনার কোচ স্বীকার করেছেন, টানা তৃতীয়বার ইতালি বাদ পড়ার ঘটনা তাকে ব্যথিত করেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলটার এমন ব্যর্থতা উদ্বেগজনক ধারাবাহিকতারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশ্বজুড়ে ইতালির কোয়ালিফাই করতে না পারার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে লিওনেল স্কালোনি একমাত্র মুখ খুলেছেন। তার মন্তব্যে ইতালির প্রতি সম্মানের পাশাপাশি ছিল হতাশাও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক পোস্টে স্কালোনি বলেন, ‘ইতালির সঙ্গে যা হয়েছে, তা আমাকে কষ্ট দেয়। আমার কিছু ইতালীয় শিকড় আছে, সেখানে আমি খেলেছিও। আর্জেন্টিনার জন্য এটি একটি ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ এবং তারা আমাদের খুব ভালোবাসে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বকাপে তাদের না থাকা আর্জেন্টাইনদের জন্যও ভালো না লাগার ব্যাপার।’ স্কালোনির এমন মন্তব্যে বিশ্বজুড়ে ইতালির প্রতি ফুটবল সংশ্লিষ্টদের সম্মানকে তুলে ধরে। তাদের অনুপস্থি
টানা তৃতীয়বারের মতো ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে ব্যর্থ হয়েছে ইতালি। এই ঘটনায় হতবাক হয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব। যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এমন পরিণতি মেনে নিতে পারছেন না কেউই। এ ব্যাপারে মুখ খুলেছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনলে স্কালোনি।
আর্জেন্টিনার কোচ স্বীকার করেছেন, টানা তৃতীয়বার ইতালি বাদ পড়ার ঘটনা তাকে ব্যথিত করেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলটার এমন ব্যর্থতা উদ্বেগজনক ধারাবাহিকতারই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশ্বজুড়ে ইতালির কোয়ালিফাই করতে না পারার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে লিওনেল স্কালোনি একমাত্র মুখ খুলেছেন। তার মন্তব্যে ইতালির প্রতি সম্মানের পাশাপাশি ছিল হতাশাও।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক পোস্টে স্কালোনি বলেন, ‘ইতালির সঙ্গে যা হয়েছে, তা আমাকে কষ্ট দেয়। আমার কিছু ইতালীয় শিকড় আছে, সেখানে আমি খেলেছিও। আর্জেন্টিনার জন্য এটি একটি ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ এবং তারা আমাদের খুব ভালোবাসে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বকাপে তাদের না থাকা আর্জেন্টাইনদের জন্যও ভালো না লাগার ব্যাপার।’ স্কালোনির এমন মন্তব্যে বিশ্বজুড়ে ইতালির প্রতি ফুটবল সংশ্লিষ্টদের সম্মানকে তুলে ধরে। তাদের অনুপস্থিতি শুধু ইউরোপেই নয়, অন্য জায়গাতেও অনুভূত হচ্ছে।
একই সঙ্গে এটিও স্পষ্ট যে, ফুটবলের এত সমৃদ্ধ ইতিহাস যে জাতির সেই দেশের দলটির এমন অবনতি ঠিক কতটা অপ্রত্যাশিত। অনেকের কাছেই আবারও ইতালির বাদ পড়া বাছাইপর্বের সবচেয়ে বড় চমকগুলোর একটি।
প্লে-অফে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা-র কাছে হেরে ইতালির অভিযান শেষ হয়। অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত ম্যাচ ১-১ সমতায় থাকলেও টাইব্রেকারে ৪-১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিশ্চিত হয় তাদের।
ম্যাচে আগে এগিয়ে গিয়েও পরে একজন খেলোয়াড় কমে যাওয়ায় ছন্দ হারায় ইতালি। সেই সুযোগে প্রতিপক্ষ সমতা ফেরায় এবং ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। কিন্তু এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দলটি।
এর ফলে ২০১৮ ও ২০২২ সালের পর টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের বাইরে থাকছে ইতালি। তাদের মতো বড় দলের জন্য এটি দীর্ঘমেয়াদি ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি, যা নিয়ে এখন গুরুতর প্রশ্ন উঠছে।
আইএন
What's Your Reaction?