ইরানকে ছাড়াই ভ্যাঙ্কুভারে এএফসির কাউন্সিল সভা, বিশ্বকাপে খেলবে তো!
ইরানকে ঘিরে অনিশ্চয়তা ও আলোচনা থাকলেও কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে বড় সভায় দেশটির কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। তবে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিতর্ক বা সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। মঙ্গলবার এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) কংগ্রেসে উপস্থিত ছিলেন জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো; কিন্তু সেখানে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে তাদের ম্যাচ অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় ওঠেনি। আগামী ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হবে ১১ জুন। ৪৮ দলের এই আসর যৌথভাবে আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। তবে ইরানের প্রতিনিধিরা ভ্যাঙ্কুভারে এএফসি কংগ্রেসে কেন উপস্থিত ছিলেন না, তা স্পষ্ট ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, ভিসাজনিত জটিলতা এর কারণ হতে পারে। একই সমস্যা বৃহস্পতিবারের ফিফা কংগ্রেস এবং বিশ্বকাপ চলাকালেও ইরানি প্রতিনিধিদলের যাতায়াতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে উদ্বেগ রয়েছে। এএফসি কংগ্রেসে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা নয়টি এশিয়ান দলকে স্মারক উপহার দেওয়া হয়। সেখানে আয়োজকরা ঘোষণা দেন, ইরানের প্রতিনিধিরা পৌঁছালে তাদের উপহার তুলে দেওয়া হব
ইরানকে ঘিরে অনিশ্চয়তা ও আলোচনা থাকলেও কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে বড় সভায় দেশটির কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। তবে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিতর্ক বা সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) কংগ্রেসে উপস্থিত ছিলেন জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো; কিন্তু সেখানে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে তাদের ম্যাচ অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় ওঠেনি।
আগামী ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হবে ১১ জুন। ৪৮ দলের এই আসর যৌথভাবে আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো।
তবে ইরানের প্রতিনিধিরা ভ্যাঙ্কুভারে এএফসি কংগ্রেসে কেন উপস্থিত ছিলেন না, তা স্পষ্ট ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, ভিসাজনিত জটিলতা এর কারণ হতে পারে। একই সমস্যা বৃহস্পতিবারের ফিফা কংগ্রেস এবং বিশ্বকাপ চলাকালেও ইরানি প্রতিনিধিদলের যাতায়াতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে উদ্বেগ রয়েছে।
এএফসি কংগ্রেসে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা নয়টি এশিয়ান দলকে স্মারক উপহার দেওয়া হয়। সেখানে আয়োজকরা ঘোষণা দেন, ইরানের প্রতিনিধিরা পৌঁছালে তাদের উপহার তুলে দেওয়া হবে।
গত সপ্তাহে ইরান সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছিলেন, জাতীয় দল যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপে ‘গর্ব ও সাফল্যের সঙ্গে’ অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এদিকে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা শুরু থেকেই জানিয়ে আসছে, ইরান নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই বিশ্বকাপে খেলবে। গত ডিসেম্বরে চূড়ান্ত হওয়া সূচিতে কোনো পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা নেই বলেও স্পষ্ট করেছে সংস্থাটি।
বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের পর ইরানের ম্যাচগুলো ম্যাক্সিকোয় সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব উঠলেও ফিফা তা আমলে নেয়নি।
এএফসি নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে ইনফ্যান্তিনো বলেন, ‘বিশ্ব এখন অত্যন্ত স্পর্শকাতর, কঠিন ও বিপজ্জনক সময় পার করছে। অনেক সংঘাত চলছে এবং আপনাদের অনেকেই সরাসরি এসবের সঙ্গে জড়িত বা ক্ষতিগ্রস্ত। ঠিক এই সময়েই আমাদের আরও বেশি করে সম্পর্কের সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে হবে। কিংবা বলা যায়, ফুটবল মাঠ তৈরি করতে হবে—যেখানে মানুষ একত্র হতে পারে।’
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইরান রয়েছে ‘জি’ গ্রুপে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড ও মিশর।
ইরানের প্রস্তুতি ক্যাম্প হওয়ার কথা যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার টাকসনে। দলটি ১৫ জুন ক্যালিফোর্নিয়ার ইংলউডে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। এরপর ২১ জুন একই ভেন্যুতে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে তারা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ২৬ জুন সিয়াটলে মিসরের বিপক্ষে খেলবে ইরান।
আইএইচএস/
What's Your Reaction?