ইরানের বন্দর অবরোধে নামছে যুক্তরাষ্ট্র, শুধু ইরানি জাহাজই হবে লক্ষ্য
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) থেকে ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় অবরোধ কার্যকর করা হবে। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে জানান, এই অবরোধ শুধু ইরানি জাহাজ এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী ইরানি গ্রাহকদের জন্য প্রযোজ্য হবে। অন্য সব দেশের জাহাজ আগের মতোই প্রণালিটি ব্যবহার করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যয় মেটাতে এই জলপথ দিয়ে পরিবাহিত প্রতিটি পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ অর্থ আদায় করবে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে গত ১৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপ করেছিল। পরে ১৮ জুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারকের পর সেই অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। ওই চুক্তিতে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়ে সম্মতি হয়েছিল। এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তার দায়িত্ব সবসময়ই ইরানের ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। প্রণালি ব্যবহারের জন্য অর্থ নেওয়ার বিষয়ে তিনি
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) থেকে ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় অবরোধ কার্যকর করা হবে।
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে জানান, এই অবরোধ শুধু ইরানি জাহাজ এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী ইরানি গ্রাহকদের জন্য প্রযোজ্য হবে। অন্য সব দেশের জাহাজ আগের মতোই প্রণালিটি ব্যবহার করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যয় মেটাতে এই জলপথ দিয়ে পরিবাহিত প্রতিটি পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ অর্থ আদায় করবে যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে গত ১৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপ করেছিল। পরে ১৮ জুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারকের পর সেই অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। ওই চুক্তিতে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়ে সম্মতি হয়েছিল।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তার দায়িত্ব সবসময়ই ইরানের ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। প্রণালি ব্যবহারের জন্য অর্থ নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিত করলে পারিশ্রমিক পাওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২০ শতাংশ হারকে তিনি ‘অত্যন্ত বেশি’ উল্লেখ করে বলেন, ইরান হলে আরও ন্যায্য হার নির্ধারণ করত।
অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি ঘোষণা দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসলামাবাদে স্বাক্ষরিত সমঝোতা কার্যত ভেঙে গেছে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা সব মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ইরানের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে।
নতুন এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮১ দশমিক ৫৫ ডলারে পৌঁছেছে।
What's Your Reaction?